জাতির পিতা ছিলেন বিশ্বের শোষিত মানুষের মুক্তির অগ্রনায়ক: স্পিকার
প্রকাশিত: ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:৪৬ পিএম


জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, জাতির পিতা ছিলেন বিশ্বের শোষিত বঞ্চিত মানুষের মুক্তির অগ্রনায়ক। তার আদর্শ ধারণ করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। আমরা আজ স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটাগরি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হয়েছি। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, দারিদ্র্যবিমোচন, বিদ্যুৎ, বৈদেশিক সম্পর্কসহ প্রতিটি সেক্টরে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়।
পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের উদাহরণ তুলে ধরে স্পিকার বলেন, জাতির সকল উন্নয়নে জাতির পিতা আছেন এবং চিরদিন থাকবেন। এসডিজি’র উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, এর অনেকগুলো লক্ষ্য ও অভীস্টের কথা জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে উল্লেখ করে গেছেন।
জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে ১৫ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন।
মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধা এবং যুক্তরাষ্টে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় দিবসটির কর্মসূচি। এরপর জাতির পিতা, বঙ্গমাতা এবং তাদের শহীদ পরিবারবর্গসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এসময় স্পিকারের সাথে ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিতসহ মিশনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারি। উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণও পুস্পস্তবক অর্পণ করেন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে। অতপর দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। জাতির পিতার জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন করা এ হয় এ পর্বে। এরপর শুরু হয় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধারা বক্তব্য প্রদান করেন।
নিউইয়র্ক সফররত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল খুরশিদ আলম প্রদত্ত বক্তব্যে স্বাধীনতার পর অর্থাৎ ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি রাজধানীতে পদার্পণের পরই চট্টগ্রাম বন্দর সচল করার ক্ষেত্রে জাতির পিতার দূরদর্শীতার কথা তুলে ধরেন।
জাতীয় শোক দিবসের তাৎপর্য এবং জাতির পিতার জীবনাদর্শ তুলে ধরে স্বাগত ভাষণ দেন রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আবুল মুহিত। তিনি ১৯৭৪ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে দেওয়া জাতির পিতার ভাষণের অংশ বিশেষ উদ্ধৃত করেন। স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, জাতির পিতার কালজয়ী সেই ভাষণের মর্মবাণী এবং তার নীতি-আদর্শ অনুসরণ করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বশীল ভূমিকা রেখে চলেছে বাংলাদেশ।
শেষে ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
প্রবাস রিলেটেড নিউজ
বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক এর সদস্য সংগ্রহ অভিযান ২০২৬
নিউ জার্সিতে বেঙ্গল ক্লাবের জমজমাট বর্ষবরণ
২৬ প্রভাবশালীর ভিসা বাতিল করলো যুক্তরাষ্ট্র
সিটির মালিকানায় গ্রোসারি চালু করবেন মেয়র মামদানি
স্পেনে বৈধতা পাচ্ছেন ৫ লাখ অভিবাসী, সুখবরের অপেক্ষায় বাংলাদেশিরা
কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সিলেটের ডলি এমপি নির্বাচিত
৪০তম ফোবানা সম্মেলন কানাডার টরন্টোর সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
প্রগ্রেসিভ ফোরাম ইউএসএ”র উদ্যোগে ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

