বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ শুরু হতে বাকি আর মাত্র দুই দিন। ঠিক এমন মাহেন্দ্রক্ষণে এসে স্বস্তির সুবাতাস বইছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল শিবিরে।
গত মাসে স্ক্যান রিপোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছিল ব্রাজিল।
তবে সোমবার (৮ জুন) নতুন করে করানো এমআরআই স্ক্যান রিপোর্টে স্বস্তির আলো দেখছেন চিকিৎসকরা।
ইতোমধ্যেই চোটের খেসারত হিসেবে সেলেসাওদের হয়ে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ মিস করেছেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। অবশ্য নেইমারকে ছাড়াও মাঠের পারফরম্যান্সে জয়ের ধারা বজায় রেখেছে ব্রাজিল।
তবে আগামী ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এই ফরোয়ার্ডকে শুরুর একাদশে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে এখনও কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। যদিও আশার বাণী শোনাচ্ছেন দলের চিকিৎসকরা।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যেন নেইমার ও চোট একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে বাঁ হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ও মেনিস্কাস ছিঁড়ে যাওয়ার সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো ভক্তদের মনে টাটকা।
এরপর সৌদি ক্লাব আল হিলালের জার্সিতেও চোটের ভূত পিছু ছাড়েনি তার। ২০২৫ সালের শুরুতে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরেও ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি; ২০২৬ সালেও বেশ কয়েকবার চোট পেয়েছেন তিনি। ৩৪ বছর বয়সী এই তারকার এবারের বিশ্বকাপে খেলা নিয়েই তৈরি হয়েছিল চরম সংশয়। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে শেষ পর্যন্ত তার ওপর আস্থা রেখেছেন সেলেসাওদের নতুন গুরু কার্লো আনচেলত্তি।
ব্রাজিলের জার্সিতে রেকর্ড ১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল করা নেইমারের এটি ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ।
নতুন কোচ আনচেলত্তির অধীনে আগামী ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে হেক্সা মিশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে সেলেসাওরা। এরপর গ্রুপ পর্বে ২০ জুন হাইতি এবং ২৫ জুন স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে লাতিন আমেরিকার পরাশক্তিরা।


