দীর্ঘ সাড়ে চার বছর ধরে চলমান ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের অবসানে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মস্কোয় বৈঠকের পর দিন অর্থাৎ রবিবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনার।
এর আগে গতকাল শনিবার মস্কোয় পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা’ নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই মার্কিন দূত। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পুতিনের সঙ্গে আলোচনার পর ইউক্রেনেও ‘সমানভাবে ফলপ্রসূ বৈঠক’ হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বলছে, তবে ওই পরিকল্পনায় ঠিক কী রয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ আলোচকদের ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে এটিই প্রথম সফর। যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে।
এদিকে যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট নিজ নিজ রাজধানীতে হামলা তিন দিনের জন্য বন্ধ রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। মস্কো ও কিয়েভের পারস্পরিক হামলা সাময়িক বন্ধের এই সিদ্ধান্ত শান্তি আলোচনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে যুদ্ধের অন্যান্য ফ্রন্টে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। দীর্ঘদিনের এই যুদ্ধের অবসানে ভূখণ্ড, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে দুই পক্ষের মতপার্থক্য এখনো বড় বাধা হয়ে রয়েছে।


