NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ | ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’ ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে ‘ছোটখাটো ব্যাপার’ বললেন ট্রাম্প, নিহত ১৮ মার্কিন সেনা বি১ বি২ ভিসাধারীদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস, সাংবাদিকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ শিগগিরই হামলার হুমকি ট্রাম্পের ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে বড় আঘাত, তুরস্কের গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ
Logo
logo

সেবা নিতে এসে একজনও যেন বিমুখ না হন : শিক্ষামন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৪:৩৫ এএম

সেবা নিতে এসে একজনও যেন বিমুখ না হন : শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা: শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বিষয়ে সেবা নিতে আসা কেউ যেন ফিরে না যায়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

রোববার ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অধিদপ্তর ও দপ্তরে কমর্রত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই নির্দেশ দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সাথে তার অধীন ২৩টি অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীকের সাথে বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রধান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুর হাসান চৌধুরী বলেছেন, সেবা নিয়ে পাবলিক পারসেপশন ভালো না। প্রভাবমুক্ত ও ভোগান্তিহীন সেবা দিতে হবে।   

অন্যদিকে, ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপ্রিএ) চূড়ান্ত মূল্যায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সরকারের ৫১টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। তবে শিক্ষা সেক্টরে সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে পাবলিক পারসেপশন ভালো না থাকায়, শিক্ষামন্ত্রী সেবার মান বাড়াতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সেবার মান বাড়াতে হবে। কোনও সেবাগ্রহিতা যেন আমাদের কাছ থেকে বিমুখ হয়ে ফিরে না যান। যদি সেবাগ্রহিতাকে তার কাজ করে দেয়া সম্ভব নাও হয়, তবু তিনি যেন তৃপ্তি নিয়ে ফেরত যেতে পারেন।