NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ | ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’ ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে ‘ছোটখাটো ব্যাপার’ বললেন ট্রাম্প, নিহত ১৮ মার্কিন সেনা বি১ বি২ ভিসাধারীদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস, সাংবাদিকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ শিগগিরই হামলার হুমকি ট্রাম্পের ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে বড় আঘাত, তুরস্কের গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ
Logo
logo

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা


খবর   প্রকাশিত:  ১০ জুলাই, ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা

নয়াদিল্লি (রয়টার্স):বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। ভারতে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, দেশে ফেরার ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার বা মৃত্যুর ঝুঁকি থাকলেও তিনি নিজ দেশের মাটিতেই বিচার মোকাবিলা করতে চান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পর ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। এরপর একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তার বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী সহিংসতার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে, তবে শেখ হাসিনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা এবং দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের বিষয়েও তিনি উদ্বিগ্ন। তার দাবি, দেশের জনগণের কাছেই তার সরকারের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তিনি আরও জানান, ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের কাজ চলছে এবং দলের কার্যক্রম চালু রাখতে ১২৫টি সংসদীয় আসন এলাকায় যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিকল্পনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশ সরকার ও ভারত সরকার শেখ হাসিনার এই বক্তব্য নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।