NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ | ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’ ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে ‘ছোটখাটো ব্যাপার’ বললেন ট্রাম্প, নিহত ১৮ মার্কিন সেনা বি১ বি২ ভিসাধারীদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস, সাংবাদিকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ শিগগিরই হামলার হুমকি ট্রাম্পের ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে বড় আঘাত, তুরস্কের গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ
Logo
logo

প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষা করতে না পারলে দূতাবাস বন্ধ করা উচিত : জামায়াত আমির


খবর   প্রকাশিত:  ০২ মে, ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষা করতে না পারলে দূতাবাস বন্ধ করা উচিত : জামায়াত আমির

প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষা করতে না পারা দূতাবাসগুলো বন্ধ করে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (১ মে) বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটকে এক শ্রমিক সমাবেশে এই মন্তব্য করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের ভাইয়েরা ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে যাচ্ছে। দালাল ও সিন্ডিকেটের কারণে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় তিন-চার গুণ বেশি টাকা খরচ হচ্ছে।

অথচ বিদেশে গিয়ে তারা অমানবিক জীবনযাপন করছে।’

 

দূতাবাসগুলোর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা প্রবাসীদের ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ বললেও প্রাপ্য মর্যাদা দিই না। পাসপোর্ট রিনিউ করতে গিয়ে তারা হয়রানির শিকার হয়। দূতাবাসগুলো কর্মকর্তা লালন-পালনের জন্য নয়, বরং জনগণের স্বার্থের জন্য।

যদি তারা প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষা করতে না পারে, তবে সেখানে দূতাবাসের কোনো প্রয়োজন নেই।”

 

শ্রমিক দিবসের দীর্ঘ ইতিহাস টেনে জামায়াত আমির বলেন, শিকাগোর ঘটনার ১৪০ বছর পার হলেও শ্রমিকের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। রাজনৈতিক নেতারা কেবল ১ মে এলে দরদি সাজেন এবং শ্রমিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। নেতাদের ভাগ্য বদলালেও সাধারণ শ্রমিকের কষ্ট থেকেই যায়।

 

মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের বিষয়ে জামায়াতের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, ‘আমরা শ্রেণি-সংগ্রামের নামে মালিকপক্ষকে শত্রু মনে করার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। মালিক না থাকলে শ্রমিক কাজ পাবে না। তাই মালিককে শ্রমিকের ওপর ইনসাফ করতে হবে এবং শ্রমিককেও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের মাধ্যমেই শ্রমিকের প্রকৃত মুক্তি সম্ভব বলে মন্তব্য শফিকুর রহমান।

সরকারকে শ্রমিকদের প্রকৃত মর্যাদা নিশ্চিত করার আহ্বানও জানান তিনি।

 

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই সমাবেশে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।