NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনে ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় আইসিসি


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ এএম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনে ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় আইসিসি

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না পাকিস্তান— এমন খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। পরিস্থিতি সামাল দিতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বৈশ্বিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে আইসিসি ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় (অনানুষ্ঠানিকভাবে চলা আলোচনা বা যোগাযোগ) যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আলোচনার নেতৃত্ব দিতে নাকি আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ইমরান খাজা শিগগিরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)-এর সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বলে জানা গেছে। আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো, পিসিবিকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনায় রাজি করানো এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বহুল আলোচিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি আয়োজন নিশ্চিত করা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতীয় মিডিয়ায় ইমরান খাজার ভূমিকাকে ‘শান্তিদূত’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয় যে, জাতীয় দল নির্ধারিত বিশ্বকাপ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না।

এই ঘোষণার পর থেকেই বিশ্বকাপের সূচি ও বাণিজ্যিক দিক নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।

 

তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, এখনো পর্যন্ত পিসিবি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে আইসিসিকে তাদের সিদ্ধান্ত জানায়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান তাদের অবস্থান বদলাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।