NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ | ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’ ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে ‘ছোটখাটো ব্যাপার’ বললেন ট্রাম্প, নিহত ১৮ মার্কিন সেনা বি১ বি২ ভিসাধারীদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস, সাংবাদিকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ শিগগিরই হামলার হুমকি ট্রাম্পের ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে বড় আঘাত, তুরস্কের গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ
Logo
logo

‘আমি পাকিস্তান থেকে আসা এক কালারড মুসলিম ছেলে’— খাজা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ এএম

‘আমি পাকিস্তান থেকে আসা এক কালারড মুসলিম ছেলে’— খাজা

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সমাপ্তি টানতে চলেছেন উসমান খাজা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্ট খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই অভিজ্ঞ বাঁহাতি ব্যাটার।

শুক্রবার সিডনিতে সংবাদ সম্মেলনে খাজা বলেন, ‘সবচেয়ে বড় অনুভূতি হলো তৃপ্তি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এত ম্যাচ খেলতে পেরেছি, এটাই আমার সৌভাগ্য।

আশা করি, পথে চলতে গিয়ে কাউকে অনুপ্রাণিত করতে পেরেছি।’

 

আবেগঘন বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘আমি পাকিস্তান থেকে আসা এক গর্বিত মুসলিম কালারড ছেলে, যাকে বলা হয়েছিল, সে কখনোই অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে পারবে না। আজ আমাকে দেখুন, আপনিও পারেন।’

৩৯ বছর বয়সী এই ব্যাটারের অবসর ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার।

নির্বাচিত হলে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই খেলবেন নিজের শেষ টেস্ট, যেখানে ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই তার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল।

 

শৈশবে ইসলামাবাদ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান খাজাওয়া। ২০১১ সালে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক—আর এখানেই শেষ টেস্ট খেলে বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা। নির্বাচিত হলে এটি হবে তার ৮৮তম টেস্ট।

 

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া এবং প্রথম মুসলিম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে তিনি ইতিহাস গড়েছেন। এক সময় অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনিই ছিলেন একমাত্র এশিয়ান ফার্স্ট-ক্লাস খেলোয়াড়, যা তাকে বহু তরুণের রোল মডেলে পরিণত করেছে।

চলতি অ্যাশেজে ইনজুরি ও দল নির্বাচনের টানাপড়েনে পড়তে হয় তাকে। পার্থ টেস্টে পিঠের চোট, ব্রিসবেনে বাদ পড়া, অ্যাডিলেডে শুরুর একাদশে না থাকা, সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করেছেন। এ সময় কিছু সাবেক ক্রিকেটার ও গণমাধ্যমের সমালোচনাকে তিনি ‘বর্ণবাদী স্টেরিওটাইপ’ বলে আখ্যা দেন।

 

খাজা বলেন, ‘আমার প্রস্তুতি, কমিটমেন্ট নিয়ে যে ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে, এগুলো সেই পুরোনো বর্ণবাদী ধারণা। অস্ট্রেলিয়ান দলে কাউকে এভাবে আগে দেখিনি।’