NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

রায়েরবাজারে বাসা থেকে নারী সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:৩৪ পিএম

>
রায়েরবাজারে বাসা থেকে নারী সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর রায়েরবাজারের একটি বাসা থেকে অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের সাবেক সহ-সম্পাদক সোহানা তুলির (৩৮) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৩ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রায়েরবাজারে ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

হাজারীবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুজ্জামান বলেন, রায়েরবাজারের শেরেবাংলানগর রোডের বাসায় নন্দিতা নামের এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতেন সোহানা। বিকেলে নন্দিতা বাসায় এসে দরজা নক করে তুলির সাড়া পাচ্ছিল না। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে কেয়ারটেকারসহ আশপাশের বাসিন্দারা এসে দরজা ভেঙে দেখেন নিজ কক্ষের ভেতর তুলি ঝুলে আছেন।

ওসি বলেন, এরপর হাজারীবাগ থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। সোহানা তুলির গ্রামের বাড়ি যশোর সদরের বটতলা এলাকায়। তিনি রায়েরবাজারের শেরেবাংলানগর রোডের বাসায় ২০১৮ সাল থেকে ভাড়ায় থাকতেন।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনে সহ-সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন সোহানা তুলি। ২০২০ সালে সাংবাদিকতা ছেড়ে মনোহর নামে একটি অনলাইন শপ খুলে সেখানে মসলা জাতীয় পণ্য বিক্রি করতেন।

পরিবারের দাবি, হয়ত কেউ তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখতে পারে। কারণ তুলির মরদেহ হাঁটুগেড়ে ঝুলে ছিল।