NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

সিনেটেও পাস যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা বিল


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:১৪ এএম

সিনেটেও পাস যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা বিল

সংসদের নিম্নকক্ষ কংগ্রেসের পর উচ্চকক্ষ সিনেটেও পাস হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা বিল। এর মাধ্যমে ঋণ খেলাপি হওয়া এড়াতে সক্ষম হলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ব্যয় মেটানোর জন্য কত পরিমাণ ঋণ নিতে পারবে সেটি নির্দিষ্ট করা আছে। কিন্তু বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরকার এই সীমার কাছে পৌঁছে গেছে। ফলে হয় তাদের এ ঋণসীমা বৃদ্ধি করতে হতো, নয়ত নির্দিষ্ট সীমাটি স্থগিত করতে হতো। নতুন বিলে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই সীমা স্থগিত করা হয়েছে।

কংগ্রেস এবং সিনেটে বিলটি পাস হওয়ায় এখন এটি যাবে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কাছে। তার স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিলটি আইনে পরিণত হবে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১ জুন) হওয়া ভোটাভুটিতে সিনেটের ১০০ সদস্যের মধ্যে ৬৩ এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর ৩৬ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

২০২৫ সাল পর্যন্ত ঋণসীমা স্থগিত করার কারণে দেশটিতে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এ নিয়ে আর কোনো সমস্যা হবে না।

এদিকে ঋণসীমা বাড়ানো বা স্থগিত নিয়ে গত সপ্তাহে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জানেত ইয়েলেন। তিনি বলেছিলেন, যদি ৫ জুনের মধ্যে এ নিয়ে একটি সমাধানে না পৌঁছানো যায় তাহলে সরকার খেলাপি হয়ে যাবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন, ভাতা, পেনসনসহ কোনো কিছু দেওয়ার মতো অর্থ আর তাদের কাছে থাকবে না।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে রিপাবলিকানদের দখলে। অপরদিকে প্রেসিডেন্ট বাইডেন হলেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির। ফলে রিপাবলিকানরা বাইডেনের চাহিদা অনুযায়ী ঋণসীমা বৃদ্ধির অনুমোদন দিতে চায়নি। আর এ কারণে রিপাবলিকানদের সঙ্গে তাকে সমঝোতা করতে হয়েছে।

আর এ সমঝোতায় সরকারের ব্যয়ে কিছু কাটছাট করতে বাধ্য করেছেন রিপাবলিকানরা।