NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ | ২ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮৭৮০ কোটি টাকা রাশিয়াকে চাপে ফেলতে নিষেধাজ্ঞা বিল পাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃতি রক্ষা করতে গিয়ে সর্বাধিক প্রাণহানি কলম্বিয়া ও ব্রাজিলে চার্লস বলেছিলেন ‘ডায়ানাকে ভুলে যাব’, স্মৃতিকথায় স্পেন্সার ফিরছে ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’ মক্কার কাছে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদি আরবের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫.৬৫ শতাংশ এআই, ড্রোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে সন্ত্রাসীরা, সতর্ক জাতিসংঘ রাশিয়ায় সামরিক ড্রোন তৈরিতে উত্তর কোরীয় শ্রমিক: এমএসএমটি বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
Logo
logo

প্রকৃতি রক্ষা করতে গিয়ে সর্বাধিক প্রাণহানি কলম্বিয়া ও ব্রাজিলে


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৯ এএম

প্রকৃতি রক্ষা করতে গিয়ে সর্বাধিক প্রাণহানি কলম্বিয়া ও ব্রাজিলে

ভূমি ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া আবারও বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থানে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে পরিবেশ ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা ‘গ্লোবাল উইটনেস’-এর সাম্প্রতিক এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে অন্তত ১২৪ জন পরিবেশ আন্দোলনকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৩৯ জনই প্রাণ হারিয়েছে কলম্বিয়ায়। এ ছাড়া ব্রাজিলে ২৬ জন এবং ফিলিপাইনে ১২ জন পরিবেশকর্মীকে হত্যা করা হয়।

 

প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, আন্তর্জাতিকভাবে নথিভুক্ত মোট হত্যাকাণ্ডের ৮৫ শতাংশই ঘটেছে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে। ২০১২ সাল থেকে সংস্থাটি তথ্য সংগ্রহ শুরু করার পর থেকে প্রতি বছরই এই অঞ্চলটি পরিবেশ রক্ষাকারীদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে।

অধিকাংশ মৃত্যুই ঘটেছে জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে, যা বাস্তবায়নে জড়িত ছিল ভাড়াটে খুনি ও সংগঠিত অপরাধী চক্র।

 

কলম্বিয়ায় নিহতদের অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য ও ক্ষুদ্র কৃষক। অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মাদক চাষ বা অবৈধ খনি সম্প্রসারণে বাধা দেওয়ায় প্রায়ই তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। সম্প্রতি কলম্বিয়ার কাউকা অঞ্চলে আদিবাসী রক্ষীবাহিনীর সদস্য জ্যাকব গুয়াচেতা জামব্রানোকে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনাটি ওই এলাকার চরম নিরাপত্তাহীনতাকে আবারও সামনে এনেছে।

 

গ্লোবাল উইটনেস সতর্ক করে জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ২০২৪ সালের ১৪৬টি হত্যাকাণ্ডের তুলনায় ২০২৫ সালে নিহতের সংখ্যা কিছুটা কমলেও প্রকৃত সংখ্যাটি আরো অনেক বেশি হতে পারে। কারণ দূরবর্তী বা দুর্গম অঞ্চলে ঘটা অনেক হুমকি, গুম ও হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশ না পেয়ে লোকচক্ষুর আড়ালেই থেকে যায়।