NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ | ২ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮৭৮০ কোটি টাকা রাশিয়াকে চাপে ফেলতে নিষেধাজ্ঞা বিল পাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃতি রক্ষা করতে গিয়ে সর্বাধিক প্রাণহানি কলম্বিয়া ও ব্রাজিলে চার্লস বলেছিলেন ‘ডায়ানাকে ভুলে যাব’, স্মৃতিকথায় স্পেন্সার ফিরছে ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’ মক্কার কাছে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদি আরবের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫.৬৫ শতাংশ এআই, ড্রোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে সন্ত্রাসীরা, সতর্ক জাতিসংঘ রাশিয়ায় সামরিক ড্রোন তৈরিতে উত্তর কোরীয় শ্রমিক: এমএসএমটি বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
Logo
logo

চার্লস বলেছিলেন ‘ডায়ানাকে ভুলে যাব’, স্মৃতিকথায় স্পেন্সার


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৯ এএম

চার্লস বলেছিলেন ‘ডায়ানাকে ভুলে যাব’, স্মৃতিকথায় স্পেন্সার

রাজকীয় জাঁকজমক, বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের ভালোবাসা আর আলোড়ন সৃষ্টি করা এক জীবন—প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও তাকে ঘিরে নানা স্মৃতি ও বিতর্ক যেন আজও পিছু ছাড়েনি। এবার তারই ছোট ভাই চার্লস স্পেন্সারের প্রকাশিতব্য একটি স্মৃতিকথা নতুন করে রাজপরিবারের পুরানো ক্ষতকে সামনে নিয়ে এসেছে।

 

স্পেন্সারের দাবি, ১৯৯৭ সালে ডায়ানার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রিন্স চার্লস নাকি তাকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, ‘নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা খুব শীঘ্রই তাকে ভুলে যাব।’ ইউকে-র দৈনিক ‘ডেইলি মেইল’-এ প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষকৃত্যের সময় ডায়ানার দুই নাবালক সন্তান—প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি মায়ের কফিনের পেছনে হাঁটবেন কি না, তা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের এক পর্যায়ে চার্লস এই মন্তব্য করেছিলেন। স্পেন্সার মূলত নিজের বোনকে নিয়ে নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের লক্ষ্যেই বইটি লিখেছেন বলে জানিয়েছেন।

বাকিংহাম প্যালেস সাধারণ বই নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও বিষয়টিকে এড়িয়ে যায়নি।

রাজা চার্লসের পক্ষে এক মুখপাত্র অত্যন্ত সুচিন্তিত বার্তা দিয়ে জানান, স্বজন হারানোর গভীর শোক মানুষের যুক্তি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তিকে দীর্ঘ বছর পরও ভিন্নভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

 

১৯৮১ সালে বিয়ে থেকে শুরু করে ১৯৯৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদ এবং পরের বছরই প্যারিসে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা—ডায়ানার ৩৬ বছরের জীবনজুড়েই ছিল আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কৌতূহল। রাজপরিবারের ভেতরের অম্ল-মধুর সম্পর্কগুলো যে এত বছর পরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাম্প্রতিক এই বাকযুদ্ধ তারই প্রমাণ দেয়।