গত মার্চ মাসে বাংলাদেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮২২৩ দশমিক ৪৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বিপুল এই ঋণের কারণে আগামী বছরগুলোতে ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের দায় বাড়বে।
জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আরো জানান, মোট ঋণের মধ্যে ৬১ দশমিক ৯৭ শতাংশ কনসেশনাল বা সহজ শর্তের ঋণ আর ৩৮ দশমিক ০৩ শতাংশ নন-কনসেশনাল ঋণ।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনার বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাংকের হিসাব মতে, ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ হতে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ফলে আমাদের বৈদেশিক ঋণের কনসেশনালিটি ধীরে ধীরে কমে আসছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, এসব চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে তার সরকার বেশ কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, “নতুন বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে ঋণ প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প প্রস্তাব নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে যাতে উচ্চ সুদের বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে কোনো অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত না হয়।


