প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে অংশীদারত্ব, প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’কে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনা, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করা এবং পাশাপাশি ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’ (জিসিএফ)-কে কার্যকর করা প্রয়োজন।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এ ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিপটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ’ শীর্ষক সেশনে ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে’ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বারোপ করেন। গতকাল স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে চীনের দালিয়ান শহরের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই সেশন অনুষ্ঠিত হয়। দালিয়ান থেকে আজ বুধবার দুপুরে হাইস্পিড ট্রেনে বেইজিং যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর মূল চীন সফর শুরু হবে আজ থেকে।
বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও এর বিস্তৃত অর্থনৈতিক সুফলের মধ্যে বিদ্যমান ব্যবধান কমানোর বিষয়টি এবারের সম্মেলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয় হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০-এর বেশি সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগির বৈঠক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগির সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে করসুবিধা প্রদান করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আলোইস জভিংগি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগকে বৈশ্বিক পরিসরে কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আলোইস জভিংগি বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি করবে। তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রীকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
চীনে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী : চীন সফরে অত্যন্ত ব্যস্ততম সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল সকালে গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ-এর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পরে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিনিয়োগ, ব্যবসাবাণিজ্যসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি গতিশীল করতে বাংলাদেশকে অংশীদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ শীর্ষক সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন তারেক রহমান। সেখানে আজ ২৪ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রীর লি কিয়াং আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া আগামীকাল ২৫ জুন বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।
বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, ন্যায্যতা ও ভারসাম্যের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা এবং দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দেশেই যেমন জনগণের আস্থা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও একটি মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্রের সরকারপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মান পাচ্ছেন। গতকাল চীনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দালিয়ানের সাংগ্রি-লা হোটেলে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সফরের বিভিন্ন কর্মসূচি, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় ফলপ্রসূ সফরের ধারাবাহিকতায় চীনেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক থেকে বর্তমানে বহুপক্ষীয় বিষয় নিয়ে উপস্থিত বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু করেছেন। মাহদী আমিন সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কর্মব্যস্ত বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত সামার দাভোস-২০২৬ বর্তমানে চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই বৈশ্বিক সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের প্রতিনিধিদল, আমন্ত্রিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানগণ এবং শীর্ষ ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ ও করপোরেট নেতারা অংশগ্রহণ করেছেন। একজন সরকারপ্রধান হিসেবে বাংলাদেশের বাইরে এই প্রথম কোনো বৈশ্বিক সম্মেলনে যোগদান করবেন তারেক রহমান। এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশে অধিকতর বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করা। একসঙ্গে ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’ বার্তার মাধ্যমে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আস্থাশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশের পরিকল্পনা উত্থাপন : মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেতাদের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন-পুনঃখনন, পদ্মা ও তিস্তা অববাহিকার পানিব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, সবুজশিল্পের বিকাশে পাটশিল্প ও পরিবেশবান্ধব ইলেক্ট্রিক ভ্যাহিকেল চালু এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জলবায়ু কার্যক্রম কোনো ব্যয় নয়; এটি আমাদের সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অপরিহার্য বিনিয়োগ। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি তহবিলের কার্যকর বাস্তবায়ন, সহজলভ্য ও পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ এবং প্রশমন ও অভিযোজন কার্যক্রমে সমান গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন। তিনি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক সংহতি, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও যৌথ দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।
বিশ্বনেতাদের সঙ্গে নৈশভোজে অংশগ্রহণ : সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রিমিয়ার তথা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে একটি নৈশভোজে সস্ত্রীক অংশ নেন। সেখানে বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম-ওসোরিন উচরাল, গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ, মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকটেনভের সঙ্গে, অর্থাৎ সাত দেশের সরকারপ্রধানের একসঙ্গে রাষ্ট্রীয় ভোজ এবং উন্মুক্ত আলাপচারিতার দুয়ার উন্মোচিত হচ্ছে।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘অ্যানুয়াল মিটিংয়ে’ যোগ দেবেন : মাহদী আমিন জানান, আজ বুধবার সকালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস’ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অন্যান্য বৈশ্বিক নেতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক পলিসি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন।
দুপুরে দালিয়ানা থেকে বেইজিংয়ে একটি হাইস্পিড ট্রেনের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের উদ্দেশে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা স্থানীয় সময় বেলা ২টায় বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবেন।
বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা ও সম্মানজনক অবস্থান : মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর কর্মযজ্ঞের ফলে দীর্ঘদিন পর বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এমন একজন স্টেটসম্যান, যিনি সমতা, ন্যায্যতা ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের আকাক্সক্ষাকে কার্যকরভাবে ধারণ করছেন, নিশ্চিত করছেন বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান। তিনি জানান, দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সামার দাভোসে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একদিকে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ করছে। অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের বেস্ট প্র্যাকটিস গ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করছে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কী আছে : প্রায় ২৪০ বছরের পুরোনো নদী তিস্তার সঙ্গে রয়েছে উত্তরের ২৫টি নদীর প্রবাহ। ২০১৪ সাল থেকে ভারত সরকার একতরফা তিস্তার পানি প্রত্যাহার করছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে নদীটি একেবারেই শুকিয়ে যায়। তিস্তা নদীকে ঘিরে উন্নয়ন পরিকল্পনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং চীনের পাওয়ার কনস্ট্রাকশন করপোরেশন অব চায়না বা পাওয়ার চায়নার মধ্যে ২০১৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। মহাপরিকল্পনায় পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ান সিটির আদলে তিস্তার দুই পারে পরিকল্পিত স্যাটেলাইট শহর গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার চীনের সেই প্রস্তাবনার আলোকেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হতে চীন গেলেন দুই মন্ত্রী : চীনের বেইজিংয়ে সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হতে গতকাল রাতে চীন গেলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে একটি ফ্লাইটে তাঁরা চীনের উদ্দেশে রওনা করেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি বলেন, তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ কয়েক ইস্যুতে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তিনজন পূর্ণ মন্ত্রী আছেন বলেও জানান তিনি।


