NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২৬ | ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ঢাবিতে নীল দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও শাস্তির দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হতে ফিলিপাইনের সমর্থন চাইল বাংলাদেশ গেজেট বাতিলের পর আপিলে ফিরছেন ৩৪ জুলাইযোদ্ধা স্পেন ও ফ্রান্সে ভয়াবহ দাবানল: দেড় লাখের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সিনেপ্লেক্সে একসঙ্গে মুক্তি পেল ৪ আলোচিত সিনেমা আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’
Logo
logo

নিউ মার্কেটে সংঘর্ষ : তিন মামলার প্রতিবেদন ১৫ ফেব্রুয়ারি


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৭:২৭ এএম

নিউ মার্কেটে সংঘর্ষ : তিন মামলার প্রতিবেদন ১৫ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা: রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ রবিবার এই তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। 

তবে এদিন পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এ জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকানকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পরদিন সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

এরপর কুরিয়ারকর্মী নাহিদ হত্যা মামলা, পুলিশের ওপর হামলা মামলা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

তাদের মধ্যে নিহত নাহিদের বাবা মো. নাদিম হোসেন বাদী হয়ে নিউ মার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনি অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক আইনে এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে পৃথক দুইটি মামলা করে। এই দুই মামলায় নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট এক হাজার ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২৪ জন এজাহারনামীয়সহ ব্যবসায়ী-কর্মচারী মিলে অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া একই মামলায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে ঢাকা কলেজের ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা আরেকটি মামলায় অজ্ঞাতনামা দেড় শ থেকে  দুই শজনকে আসামি করা হয়।