NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

নিউ মার্কেটে সংঘর্ষ : তিন মামলার প্রতিবেদন ১৫ ফেব্রুয়ারি


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৭:২৭ এএম

নিউ মার্কেটে সংঘর্ষ : তিন মামলার প্রতিবেদন ১৫ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা: রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ রবিবার এই তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। 

তবে এদিন পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এ জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকানকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পরদিন সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

এরপর কুরিয়ারকর্মী নাহিদ হত্যা মামলা, পুলিশের ওপর হামলা মামলা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

তাদের মধ্যে নিহত নাহিদের বাবা মো. নাদিম হোসেন বাদী হয়ে নিউ মার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনি অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক আইনে এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে পৃথক দুইটি মামলা করে। এই দুই মামলায় নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট এক হাজার ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২৪ জন এজাহারনামীয়সহ ব্যবসায়ী-কর্মচারী মিলে অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া একই মামলায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে ঢাকা কলেজের ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা আরেকটি মামলায় অজ্ঞাতনামা দেড় শ থেকে  দুই শজনকে আসামি করা হয়।