NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo
logo

নিউ মার্কেটে সংঘর্ষ : তিন মামলার প্রতিবেদন ১৫ ফেব্রুয়ারি


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৭:২৭ এএম

নিউ মার্কেটে সংঘর্ষ : তিন মামলার প্রতিবেদন ১৫ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা: রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ রবিবার এই তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। 

তবে এদিন পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এ জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকানকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পরদিন সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

এরপর কুরিয়ারকর্মী নাহিদ হত্যা মামলা, পুলিশের ওপর হামলা মামলা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

তাদের মধ্যে নিহত নাহিদের বাবা মো. নাদিম হোসেন বাদী হয়ে নিউ মার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনি অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক আইনে এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে পৃথক দুইটি মামলা করে। এই দুই মামলায় নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট এক হাজার ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২৪ জন এজাহারনামীয়সহ ব্যবসায়ী-কর্মচারী মিলে অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া একই মামলায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে ঢাকা কলেজের ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা আরেকটি মামলায় অজ্ঞাতনামা দেড় শ থেকে  দুই শজনকে আসামি করা হয়।