NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ১১, ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবে ইরানের জবাব, যা বললেন ট্রাম্প মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারী হত্যায় গ্রেপ্তার ৩ বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে বিপাকে অভিনেত্রী রিয়ালকে হারিয়ে লা লিগা চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ইইউ কৌশলগত অংশীদারিত্বে নতুন অধ্যায় : গুরুত্ব পাচ্ছে গণতন্ত্র ও অর্থনীতি কূটনৈতিক উপহার : ভুল বার্তায় তৈরি হতে পারে ভুল-বোঝাবুঝি তিন দেশে তিন উদ্বোধনী তারকাদের দিয়ে বাজিমাত করার পরিকল্পনা ফিফার মাদকদ্রব্য পাচার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর
Logo
logo

জুতা পায়ে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি


খবর   প্রকাশিত:  ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৫:৫৮ এএম

জুতা পায়ে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি

ঢাকা: শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে উপচে পড়া ভিড়। তবে কালের বিবর্তনে বদলে যাচ্ছে শ্রদ্ধা নিবেদনের ধরন। স্মৃতিসৌধের বেদিতে সবাইকেই জুতা পায়ে উঠতে দেখা যায়। 'স্মৃতিসৌধের মর্যাদা রক্ষার্থে জুতা ও স্যান্ডেল পরে উঠবেন না'-অন্যান্যবার স্মৃতিসৌধের সামনে এ ধরনের সাইনবোর্ড থাকলেও এবার তা দেখতে পাওয়া যায়নি।

 

 

 

বুধবার সকাল ৭টায় মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধানমন্ত্রী ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এরপর সর্বসাধারণের প্রবেশ উন্মুক্ত করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সংগঠন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন। এ সময় সাংগঠনিক ব্যানার, স্লোগান ও সেলফি তুলতেই অনেককে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা যায়।  

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এরপর অন্যান্য রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন বেদিতে উপস্থিত হয়। সকাল পৌনে ৯টার দিকে বিএনপিসহ তার বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দলে দলে হাজির হন।

নিরাপত্তার স্বার্থে সকাল থেকেই স্মৃতিসৌধসহ আশপাশের এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা দেখা যায়। প্রবেশপথের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশির ব্যবস্থা রাখা হয়।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর এ দেশের প্রথম শ্রেণির সব বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। সেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সম্মান জানাতে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।