NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

হিজাব বিরোধিদের সমর্থনে জাতীয় সংগীতে ‘না’ ইরান ফুটবলারদের


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৭:৫৭ পিএম

>
হিজাব বিরোধিদের সমর্থনে জাতীয় সংগীতে ‘না’ ইরান ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের মতো আসরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটাও গর্বের। জাতীয় সংগীত চলাকালে গলা মেলানো, আবেগে ফেটে পড়ার দৃশ্যটাও খুব বেশি অচেনা নয়। তবে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি যখন হলো ইরান, তখন ইরানিয়ান ফুটবলাররা কি-না সেই জাতীয় সংগীতই গাইলেন না। জাতীয় সংগীত বাজছে, তারা দাঁড়িয়ে রইলেন নির্বিকার হয়ে!

এমন দৃশ্যের দেখা সচরাচর মেলে না। আজ যখন খালিফা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হলো দুই দল, তখন কেন এমন করলেন ইরানি ফুটবলাররা? তার কারণটা লুকিয়ে আছে তাদের দেশে। ইরানে এখন চলছে হিজাব বিরোধী আন্দোলন।

দুই মাস আগে পুলিশি হেফাজতে তরুণ এক নারীর মৃত্যু ঘটে দেশটিতে। হিজাব ও বোরকা না পড়ে বাড়ির বাইরে বের হওয়ায় মাশা আমিনি নামের সেই তরুণীকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায় দেশটির মর‌্যালিটি পুলিশ। 

হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার দু’ঘণ্টা পরই গুরুতর আহত অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি, তিনি কোমায় চলে যান, শেষমেশ ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে। 

পুলিশি হেফাজতে তরুণীর মৃত্যুর পর থেকেি দেশটিতে হিজাববিরোধী আন্দোলন করছেন ইরানের নারীরা। চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন ১৯৭৯ সালে দেশটিতে ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে চলে আসা আইনকেও।

সেই আন্দোলনকে সমর্থন জানাতেই আজ ইরানের খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীতে গলা মেলালেন না। খলিফা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের লাউড স্পিকারে যখন বাজছে ইরানের জাতীয় সংগীত, তখন নির্বিকার হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন সবাই।

ফুটবলের বিশ্বআসরে এমন কাজে আন্দোলনকারীদের বড় সমর্থনই দেবে। তবে সেজন্য খেলোয়াড়দের ওপর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।