রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে ‘অশোভন আচরণের’ অভিযোগে নিজের পুত্রবধূর সব রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিয়েছেন ব্রুনেইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহ। তবে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
খবর প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৮ এএম

রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে ‘অশোভন আচরণের’ অভিযোগে নিজের পুত্রবধূর সব রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিয়েছেন ব্রুনেইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহ। তবে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে ব্রুনেই দারুসসালামের গ্র্যান্ড চেম্বারলেইনের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সুলতানের আদেশে সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।
পেঙ্গিরান রাবিয়াতুল আদাউইয়াহর বিরুদ্ধে সুলতান হাজি হাসানাল বলকিয়াহর প্রতি অসম্মান প্রদর্শন এবং রাজপরিবারের সদস্যের স্ত্রী হিসেবে অনুপযুক্ত আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, তার কর্মকাণ্ড রাজপরিবারের সুনামও ক্ষুণ্ন করেছে। ফলে রাবিয়াতুল আদাউইয়াহর ‘ইয়াং আমাত মুলিয়া পেঙ্গিরান আনাক ইস্তেরি’ রাজকীয় উপাধি বাতিল করা হয়েছে।
৩৩ বছর বয়সী রাবিয়াতুল আদাউইয়াহ ব্রুনেইয়ের প্রিন্স আবদুল মালিকের স্ত্রী। ৪৩ বছর বয়সী প্রিন্স আবদুল মালিক সিংহাসনের উত্তরাধিকারক্রমে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ব্রুনেইয়ের সুলতান এর আগেও রাজপরিবারের সদস্যদের উপাধি কেড়ে নিয়েছেন। ২০০৩ সালে দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম আবদুল আজিজের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তার সব রাজকীয় উপাধি প্রত্যাহার করা হয়।
প্রিন্স আবদুল মালিক ২০১৫ সালে রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানের রাজপ্রাসাদে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাবিয়াতুলকে বিয়ে করেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলে ১০ দিন।