NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

উত্তাল মহাসাগরের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা জানালেন মিথিলা


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ অক্টোবর, ২০২৪, ০৮:৪৪ এএম

>
উত্তাল মহাসাগরের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা জানালেন মিথিলা

অভিনেত্রী হিসেবেই ব্যাপক পরিচিতি রাফিয়াত রশিদ মিথিলার। তিনি একজন সমাজকর্মীও। ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন। সম্প্রতি অফিসের কাজেই গিয়েছেন উগান্ডায়।

সেখানে বিভিন্ন রকম ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ, ফিল্ড ভিজিট শেষে পৌঁছান পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওনে। উদ্দেশ সেখানকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলে একটা আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করা। সেই কর্মশালা ভালোভাবেই শেষ হয়। তবে বিপদে পড়েন ফেরার পথে। ভারতের কলকাতায় ফেরার জন্য বিমান ধরবেন। তখনই বিপত্তি। শুরু হয় প্রবল ঝড়-বৃষ্টি। সিয়েরা লিওনের রাজধানী ফ্রিটাউনের ভৌগলিক অবস্থান আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে। ঝড়ের মুখে কীভাবে বিপদে পড়তে হয়েছিল, সেই অভিজ্ঞতাই নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন মিথিলা।

কী লিখেছেন মিথিলা

এই অভিনেত্রী জানান, যারা সাধারণত তার অফিসিয়াল ট্যুরের সুন্দর ছবি দেখে ‘আহা, উহু’ করেন এই পোস্ট আসলে তাদের উদ্দেশেই। জানিয়েছেন, সুন্দর ছবির পেছনে আসল অভিজ্ঞতাটা তিনি শেয়ার করছেন। লেখেন, ‘আমার কর্মশালা গতকাল শেষ হয় এবং গতকাল রাতেই আমার সিয়েরা লিওন থেকে কলকাতায় যাওয়ার ফ্লাইট ছিল। আয়রাকে যেহেতু বাড়িতে রেখে এসেছি, কাজের বাইরে আর একদিনও আমার থাকতে ইচ্ছা করে না বাইরে। তো যাই হোক, কালকে বিকেল বেলা থেকেই প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি। সিয়েরা লিওনের রাজধানী, ফ্রিটাউন, আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে। সিয়েরা লিওনের এয়ারপোর্টটা ফ্রি টাউন থেকে দূরে একটা বিচ্ছিন্ন জায়গায় অবস্থিত, যার নাম ‘লুংগি’। ফ্রি টাউন থেকে ১ ঘণ্টা একটা ছোট ফেরিতে আটলান্টিক পার হয়ে লুংগি এয়ারপোর্টে যেতে হয়। ঝড় বৃষ্টির কারণে আমি একটু বেশিই চিন্তিত ছিলাম। কারণ আমার সমুদ্র যেমন ভালো লাগে, তেমনি উত্তাল সমুদ্র ভয়ও লাগে৷ আমার ফেরি, যেটাকে ‘sea coach’ বলা হয়, সেটার টাইম ছিল রাত ২টায়। আমি সন্ধ্যা থেকে আশায় ছিলাম যে আবহাওয়া রাতে হয়ত ভালো হবে। কিন্তু যত রাত বাড়ছে ততই ঝড়ও প্রকট আকার ধারণ করছে। শেষ পর্যন্ত ভয়ে ভয়ে রাত ১টায় sea coach টার্মিনালে গেলাম। লোকজন খুবই কম। আমার ফ্লাইট ছিল ভোর ৫:৩০টায় সিয়েরা লিওন থেকে মরক্কোর কাসাব্লানকায়। সেখান থেকে দুবাই হয়ে কলকাতায় ফেরার কথা। যাই হোক তার আগে তো সমুদ্রটা পাড়ি দিতে হবে।’