NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo
logo

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবিকে দৃঢ়ভাবে নাকচ


খবর   প্রকাশিত:  ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবিকে দৃঢ়ভাবে নাকচ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবিকে দৃঢ়ভাবে নাকচ করে স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকার পরিচালনার জন্য তার প্রাপ্ত ম্যান্ডেট এখনো সম্পূর্ণভাবে বহাল রয়েছে।

পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় আসায় লেবার পার্টির ভেতরে ও বাইরে অস্থিরতা তৈরি হলেও স্টারমার নিজের অবস্থান থেকে সরে আসছেন না। 

ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এই মুহূর্তে কেবল দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতেই মনোযোগ দিতে চান এবং রাজনৈতিক বিতর্কের চাপে কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রশ্ন নেই।

এই পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যরা প্রকাশ্যে স্টারমারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

 

চ্যান্সেলর ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, সরকার ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি তাদের পূর্ণ আস্থা আছে। 

তারা পদত্যাগের দাবিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির একটি ‘রাজনৈতিক চাল’ বলে উল্লেখ করেছেন। মন্ত্রিসভার এই সংহতি স্টারমারের জন্য কিছুটা স্বস্তির হলেও বিরোধীদের সমালোচনা থেমে নেই।

অন্যদিকে বিরোধী দল ও কয়েকটি বিক্ষোভকারী গোষ্ঠী বিষয়টিকে ‘জনসাধারণের আস্থার সংকট’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্টারমারের বিদায় দাবি করছে।

তারা এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিপত্র এবং ম্যান্ডেলসনের ভূমিকা নিয়ে সরকারের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছে।

 

তবে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। তাদের মতে, অতীতের কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্কের দায় বর্তমান সরকারের ওপর আরোপ করা যায় না। 

পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী দিনগুলোতে এই বিতর্ক ব্রিটিশ রাজনীতিতে স্টারমারের স্থিতিশীলতা এবং লেবার পার্টির জনপ্রিয়তার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।