NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবিকে দৃঢ়ভাবে নাকচ


খবর   প্রকাশিত:  ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবিকে দৃঢ়ভাবে নাকচ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবিকে দৃঢ়ভাবে নাকচ করে স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকার পরিচালনার জন্য তার প্রাপ্ত ম্যান্ডেট এখনো সম্পূর্ণভাবে বহাল রয়েছে।

পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় আসায় লেবার পার্টির ভেতরে ও বাইরে অস্থিরতা তৈরি হলেও স্টারমার নিজের অবস্থান থেকে সরে আসছেন না। 

ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এই মুহূর্তে কেবল দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতেই মনোযোগ দিতে চান এবং রাজনৈতিক বিতর্কের চাপে কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রশ্ন নেই।

এই পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যরা প্রকাশ্যে স্টারমারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

 

চ্যান্সেলর ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, সরকার ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি তাদের পূর্ণ আস্থা আছে। 

তারা পদত্যাগের দাবিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির একটি ‘রাজনৈতিক চাল’ বলে উল্লেখ করেছেন। মন্ত্রিসভার এই সংহতি স্টারমারের জন্য কিছুটা স্বস্তির হলেও বিরোধীদের সমালোচনা থেমে নেই।

অন্যদিকে বিরোধী দল ও কয়েকটি বিক্ষোভকারী গোষ্ঠী বিষয়টিকে ‘জনসাধারণের আস্থার সংকট’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্টারমারের বিদায় দাবি করছে।

তারা এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিপত্র এবং ম্যান্ডেলসনের ভূমিকা নিয়ে সরকারের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছে।

 

তবে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। তাদের মতে, অতীতের কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্কের দায় বর্তমান সরকারের ওপর আরোপ করা যায় না। 

পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী দিনগুলোতে এই বিতর্ক ব্রিটিশ রাজনীতিতে স্টারমারের স্থিতিশীলতা এবং লেবার পার্টির জনপ্রিয়তার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।