NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহত, নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল : খামেনি


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহত, নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল : খামেনি

ইরানের সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলোর দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। স্থানীয় সময় শনিবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এই বিক্ষোভে বিদেশি শক্তিগুলোর সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল উল্লেখ করে খামেনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে। তারা কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।

” 

 

স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘অপরাধী’ বলে মন্তব্য করেন খামেনি। তিনি বলেন, ইরানবিরোধী সর্বশেষ রাষ্ট্রদ্রোহের ঘটনাটি ভিন্ন ছিল, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবে এতে জড়িত পড়েছিলেন।

ইরানে অস্থিরতার জন্য বরাবরই বিদেশি শক্তিকে দায়ী করে আসছে দেশটি। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানে অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছে এবং মাঠপর্যায়ে অপারেশন পরিচালনা করেছে।

 

খামেনি সতর্ক করে বলেন, ইরান সীমান্তের বাইরে সংঘাত বাড়াতে চায় না, “আমরা দেশকে যুদ্ধে টেনে আনব না; কিন্তু দেশীয় বা আন্তর্জাতিক অপরাধীদের শাস্তি না দিয়ে ছাড়ব না।”

দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে বহু হতাহতের খবর জানা গেলেও, ইরানের পক্ষ থেকে সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ বলেছিল, বিক্ষোভে ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। সর্বশেষ ইরানের কর্মকর্তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ কয়েকশ মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছিল।

 

 

বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রথম ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব প্রকাশ্যে নিহতের সংখ্যা ‘হাজারের ঘরে’ বলে উল্লেখ করলেন। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবির সঙ্গে খামেনির বক্তব্য আংশিকভাবে মিলে যায়। তারা আগেই বলে আসছিল যে নিহতের সংখ্যা সরকারি ঘোষণার চেয়ে অনেক বেশি।