NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন লেবানিজ সেনা নিহত সিঙ্গাপুরে দুটি সোনার পদক জয় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক
Logo
logo

সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডকে পেছনে ফেলত বাংলাদেশ : অহনা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:১১ পিএম

সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডকে পেছনে ফেলত বাংলাদেশ : অহনা

বাংলাদেশে সালমান শাহ থাকলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী অহনা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

সালমান শাহ ইস্যু সম্প্রতি আলোচনার পর থেকে অনেকেই দেশের এই ক্ষণজন্মা অভিনেতাকে স্মরণ করছেন। এবার সালমান শাহকে নিয়ে কথা বললেন অভিনেত্রী অহনা।

তিনি মনে করেন সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি আমূল বদলে যেত।

 

সালমান শাহকে এখনো নকল করা হয় জানিয়ে অহনা বলেন, ‘সালমান শাহ যদি থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত। কারণ একটা ছবি সব সময় সামনে আসে, শাহরুখ খান, গৌরী খান,  সালমান শাহ ও তার ওয়াইফ। ওই ছবিটা দেখেই বোঝা যায় সালমান শাহ কী ছিলেন সে সময়।

আর তার স্টাইল এখনো নকল করে অনেকে। তার মতো নায়ক বললেই হয়ে যায় না। এত সহজ নয়।’ 

 

 


অহনা মনে করেন সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডের সঙ্গে এ দেশের ইন্ডাস্ট্রির মেলবন্ধন থাকত।

তিনি বলেন, ‘চিন্তা করেন তো সালমান শাহ-শাহরুখ একসঙ্গে মুভি করলে কী হতো? বাংলাদেশের আর্টিস্টরা গিয়ে বলিউডে অভিনয় করতেন, বলিউডের আর্টিস্টরা এসে ঢালিউডে সিনেমা করতেন। তাই হতো, কিন্তু তা তো হচ্ছে না, হবে না।’

 

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর একে একে থানা-পুলিশ, সিআইডি, র‍্যাব, পিবিআইসহ একাধিক সংস্থা তদন্ত চালায়। সব প্রতিবেদনেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও সালমানের পরিবারের আপত্তিতে প্রতিবারই তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়।