NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডকে পেছনে ফেলত বাংলাদেশ : অহনা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:১১ পিএম

সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডকে পেছনে ফেলত বাংলাদেশ : অহনা

বাংলাদেশে সালমান শাহ থাকলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী অহনা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

সালমান শাহ ইস্যু সম্প্রতি আলোচনার পর থেকে অনেকেই দেশের এই ক্ষণজন্মা অভিনেতাকে স্মরণ করছেন। এবার সালমান শাহকে নিয়ে কথা বললেন অভিনেত্রী অহনা।

তিনি মনে করেন সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি আমূল বদলে যেত।

 

সালমান শাহকে এখনো নকল করা হয় জানিয়ে অহনা বলেন, ‘সালমান শাহ যদি থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত। কারণ একটা ছবি সব সময় সামনে আসে, শাহরুখ খান, গৌরী খান,  সালমান শাহ ও তার ওয়াইফ। ওই ছবিটা দেখেই বোঝা যায় সালমান শাহ কী ছিলেন সে সময়।

আর তার স্টাইল এখনো নকল করে অনেকে। তার মতো নায়ক বললেই হয়ে যায় না। এত সহজ নয়।’ 

 

 


অহনা মনে করেন সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডের সঙ্গে এ দেশের ইন্ডাস্ট্রির মেলবন্ধন থাকত।

তিনি বলেন, ‘চিন্তা করেন তো সালমান শাহ-শাহরুখ একসঙ্গে মুভি করলে কী হতো? বাংলাদেশের আর্টিস্টরা গিয়ে বলিউডে অভিনয় করতেন, বলিউডের আর্টিস্টরা এসে ঢালিউডে সিনেমা করতেন। তাই হতো, কিন্তু তা তো হচ্ছে না, হবে না।’

 

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর একে একে থানা-পুলিশ, সিআইডি, র‍্যাব, পিবিআইসহ একাধিক সংস্থা তদন্ত চালায়। সব প্রতিবেদনেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও সালমানের পরিবারের আপত্তিতে প্রতিবারই তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়।