NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo
logo

যুদ্ধবিরতির পর সবচেয়ে ভয়াবহ রাতের সাক্ষী গাজাবাসী


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

যুদ্ধবিরতির পর সবচেয়ে ভয়াবহ রাতের সাক্ষী গাজাবাসী

একজন ইসরায়েলি সেনার মৃত্যুর জবাবে হামাসের ডজনখানেক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েল। এর ফলে এই মাসের শুরুতে মার্কিন মধ্যস্থতায় কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর গাজায় সবচেয়ে ভয়াবহ বোমা হামলার রাত প্রত্যক্ষ করেছে।

এই হামলার পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ‘যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার নতুন প্রক্রিয়া’ শুরু করেছে। তবে এই বিবৃতি দেওয়ার পরেও এএফপির লাইভ ভিডিও ফিডে গাজার আকাশরেখায় বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যাচ্ছিল।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি প্রায় তিন সপ্তাহ আগেকার এই যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করতে সাহায্য করেছিলেন, তিনি এর আগে বলেছিলেন, এই চুক্তিকে বিপন্ন করার জন্য কাউকে অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে তিনি এও সমর্থন করেন, আক্রান্ত হলে ইসরায়েলের ‘পাল্টা আঘাত করার’ অধিকার রয়েছে।

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, এই হামলায় অন্তত ৩৫ শিশুসহ ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। গাজার পাঁচটি হাসপাতালের চিকিৎসা সূত্রের ভিত্তিতে এএফপিও এই মৃত্যুর সংখ্যা নিশ্চিত করেছে।

 

অঞ্চলটির প্রধান আল-শিফা হাসপাতাল জানিয়েছে, একটি হামলা তাদের পেছনের প্রাঙ্গণে আঘাত হেনেছে।

আল-শাতি শরণার্থী শিবিরের একটি স্কুলে তাঁবুর নিচে থাকা ৩১ বছর বয়সী খাদিজা আল-হুসনি বলেন, ‘আমরা সবেমাত্র আবার শ্বাস নিতে শুরু করেছিলাম, আমাদের জীবন পুনর্গঠনের চেষ্টা করছিলাম, তখনই আবার বোমা হামলা ফিরে এল।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটা একটা অপরাধ। হয় যুদ্ধবিরতি থাকবে বা যুদ্ধ—একই সঙ্গে দুটো চলতে পারে না।

বাচ্চারা ঘুমাতে পারছিল না। তারা ভেবেছিল যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে।’

 

হামাস জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধাদের ‘রাফাতে গুলি চালানোর ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই’ এবং মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।