NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী
Logo
logo

জুলাই সনদে পরেও স্বাক্ষর করা যাবে : আলী রীয়াজ


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

জুলাই সনদে পরেও স্বাক্ষর করা যাবে : আলী রীয়াজ

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক ‘জুলাই সনদ’ সই অনুষ্ঠান। আগামীকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) যদি কোনো রাজনৈতিক দল এ সনদে সই না করে, তারা পরেও সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রস্তুতি সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সনদের অঙ্গীকারনামা অংশে স্বাক্ষর করবেন।

পাশাপাশি কমিশনের সদস্যরাও সই করবেন, আর সর্বশেষে স্বাক্ষর করবেন কমিশনের প্রধান এবং প্রধান উপদেষ্টা।

 

তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার কাছে সনদের কপি সরবরাহ করা হবে, যাতে তারা জানতে পারেন সনদে কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ সময় এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন, আগামীকাল যদি কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে সই না করে, তাহলে তারা পরবর্তী সময়ে স্বাক্ষর করতে পারবে কিনা? জবাবে আলী রীয়াজ বলেন, হ্যাঁ, সুযোগ থাকবে।

তিনি বলেন, শুক্রবার সব দলের স্বাক্ষর নিতে পারলে ভালো।

তবে যদি কোনো দল পরবর্তীতে স্বাক্ষরের কথা বলে... তারা তো সনদ প্রক্রিয়ার অংশীদার। শরিক হিসেবে তারা সেটি করতে পারবে। তবে কমিশন আশা করে, সবাই একসঙ্গে বসে উৎসবমুখর পরিবেশে স্বাক্ষর করবে।

 

আলী  রীয়াজ বলেন, আমরা সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছি।

রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে সময়ে সময়ে যে মতামত পেয়েছি, তা আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে আমরা বিবেচনায় নিয়েছি এবং এই আলোচনা ও যোগাযোগ আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। কমিশন মনে করে, জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে। এটি আমাদের দায়িত্ব। বাংলাদেশের নাগরিকদের যে প্রচেষ্টা, যে আকাঙ্ক্ষা, যার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছে, নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছে তার বিপরীতে যেন একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায় যেখানে সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে; এই লক্ষ্যেই সনদ প্রণীত হয়েছে।