NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

রিপন মিয়াকে নিয়ে গণমাধ্যমের শিরোনামের কড়া সমালোচনায় চমক


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

রিপন মিয়াকে নিয়ে গণমাধ্যমের শিরোনামের কড়া সমালোচনায় চমক

সম্প্রতি কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। আর এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। এবার তাকে নিয়ে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। 

সে পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘স্বার্থে আঘাত লাগলে নিজের বাবা-মাও তার সন্তানকে টেনে নামাতে পারে। রিপন মিয়া কত খারাপ কিংবা কত ভালো, সেটি নিয়ে তো সবাই কথা বলছি, কিন্তু মুদ্রার অপর পিঠ কি দেখছি আমরা? তার বাবা-মা একবারও তার সন্তানের সম্মানের কথা ভাবলেন না।

তিনি বলেন, ডিয়ার চাকচিক্য মোবাইলে যতটা দেখা যায়, আসল জীবনে ততটা নাও হতে পারে। রিপন মিয়ার স্পনসর্ড ঘোরাফেরা দেখে তাকে অঢেল সম্পদশালী মনে করার কোনো কারণই নেই।

অভিনেত্রী বলেন, নিজের বাবা-মা, নিজের ছেলের সামান্য উন্নতিতে খুশি হতে পারছেন না, তাহলে কীভাবে আশা করি— আমাদের সমাজ, আশপাশের মানুষ, আমাদের সফলতায় বা অর্জনে আনন্দে আটখানা হয়ে যাবে?

ওই মহান সাংবাদিকগণ, যারা মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক, কান, গলা তথা পুরো শরীর গলিয়ে মানুষকে টেনেহেঁচড়ে নিচে নামায় সামান্য কিছু পয়সার জন্য, তাদের কীভাবে দেখছেন আপনারা? আরেকটি বিষয়— রিপন মিয়া তো তার সব ভিডিওতে নিজেই দাবি করে সে গরিব। তাই 'গরিব বলে বাবা-মাকে পরিচয় দিচ্ছেন না'— এ শিরোনামটা ব্যবহার না করলেও পারতেন, দোষারোপগুলো আরও ক্রিয়েটিভ হতে পারত।

প্রকৃতি আমাদের বরাবরই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়— আমরা কতটা হিংস্র, কতটা ইনসিকিউর, কতটা হিংসুটে, কতটা লোভী, কতটা একা, কতটা অসহায়। যাই হোক, সব কথার শেষ কথা— সব দোষ রিপন মিয়ার।