NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী
Logo
logo

এবার থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া শান্তিচুক্তি অনুষ্ঠানে থাকবেন ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

এবার থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া শান্তিচুক্তি অনুষ্ঠানে থাকবেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজক দেশ মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান।

চলতি বছরের জুলাইয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সীমান্ত সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন নিহত হয় এবং প্রায় ৩ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হন।

টানা পাঁচ দিন যুদ্ধের পর ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, যদিও এরপর দুই দেশই বারবার একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।

মোহাম্মদ হাসান মঙ্গলবার কুয়ালালামপুরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া শান্তি চুক্তি প্রত্যক্ষ করার জন্য উদ্‌গ্রীব হয়ে আছেন।

 

তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ২৬ অক্টোবর মালয়েশিয়া সফর করবেন, যেখানে তিনি ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিতব্য আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন।

মোহাম্মদ বলেন, মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে, যাতে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে আরো বিস্তৃত একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে।

এই চুক্তির অংশ হিসেবে দুই দেশকে সীমান্ত এলাকা থেকে সব স্থলমাইন অপসারণ এবং সামরিক সরঞ্জাম প্রত্যাহার করতে হবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি উভয় পক্ষ এসব শর্ত পূরণ করবে এবং আসিয়ান সম্মেলনের সময় একটি ঘোষণা স্বাক্ষরিত হবে।

আমরা একে ‘কুয়ালালামপুর ডিক্লারেশন’ বা ‘কুয়ালালামপুর অ্যাকর্ড’ বলতে পারি — মূল লক্ষ্য হলো এই দুই প্রতিবেশী দেশ যেন স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে।’