তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। এবার ওয়ানডেতে একই পরিস্থিতি হলো নিজেদেরই। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ২০০ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে ধবলধোলাইয়ের ‘স্বাদ’ পেল টাইগাররা।
প্রথম ম্যাচে টেনে টুনে ২ শ রান করে হেরেছে ৫ উইকেটে।
বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছিল আড়াই শ’র পরই তাদের অলআউট করে দেওয়ার।
রশিদ খান দলের ২২১ রানে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে আউট হলে অলআউট করার সুযোগ আসে। ২৪৯ রানে পরপর অষ্টম ও নবম উইকেট হারায় আফগানরা। সেখান থেকে ৪৯তম ওভারে ২৫ নেন নবী। দুই বল করে নাহিদ রানা মাঠ ছাড়লে পরের চার বল করে তিন ছক্কা খান মেহেদী মিরাজ। হাসান মাহমুদের শেষ ওভারে ১৯ রান নিয়ে ৩৭ বলে ৬২ রানের হার না মানা দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন নবী। চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা হাঁকান।
জবাব দিতে নেমে ৩৫ রানের ওপনিং জুটি পায় বাংলাদেশ। নাঈম শেখ ১৬ বলে ৩ রান করে ফিরে যান। পরের ব্যাটাররা আশা যাওয়ার মিছিলে ছিলেন। নাজমুল শান্ত (৩), তাওহীদ হৃদয় (৭), মেহেদী মিরাজ (৬), শামীম পাটোয়ারি (০) কিংবা নুরুল হাসান (২) কেউ দুই অঙ্কের ঘরে রান নিতে পারেননি। এমনকি শেষ দিনের হাসান মাহমুদ কিংবা তানভীরও ১০ রানের ঘরে ঢুকতে পারেননি। কেবল ওপেনার সাইফ হাসান ৫৪ বলে তিন ছক্কা ও দুই চারে ৪৩ রান করেন।
বাংলাদেশের ইনিংস ধসিয়ে দিয়েছেন ২১ বছরের পেসার বেলাল সামি। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নেমে ৭.১ ওভার বোলিং করে ৩৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। রশিদ খান ৬ ওভারে ১২ রান দেয় নেন ৩ উইকেট। বাংলাদেশ ২৭.১ ওভারে অলআউট হয়। এর আগে বাংলাদেশের সাইফ হাসান ৪ ওভারে ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন।