NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি জানালেন বিপিজেএফ


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৯:০৯ এএম

সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি জানালেন বিপিজেএফ

হাকিকুল ইসলাম খোকন,  সারা বছরই দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকরা নানান নির্যাতনের শিকার হলেও সঠিকভাবে বিচার পান না। তাই  অবিলম্বে সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন ও মর্যাদা বাড়াতে বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম (বিপিজেএফ)।  

গত বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম  শাকিল ও সাধারণ সম্পাদক  রোমান আকন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

তারা বলেন, সারা দেশের সাংবাদিকদের স্বার্থে দাবি ও মর্যাদা আদায়ে আমরা মাঠে রয়েছি। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও সাংবাদিক সমাজ ও সাংবাদিকতা এখনও সুরক্ষিত নয়। বিশেষ করে তৃণমূলের সাংবাদিকরা সবচেয়েবেশি অবহেলিত। তাই তাদের সুরক্ষায় সরকারকে একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন করায় অন্তর্বতী সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
 


আমরা চাই, সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কি হবে, তা এ গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনকে নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়াও অশিক্ষিত বা অপেশাদার কোনো ব্যক্তি যাতে এ পেশায় আসতে না পারে, সেজন্য কঠোর নীতিমালা করতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। একটি জাতীয় ডাটাবেজ করে দেশের সাংবাদিকদের তালিকা করতে হবে এবং অবিলম্বে সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। যাতে বাংলাদেশের আর একটি সাংবাদিকও নির্যাতিত না হয়।দাবিগুলো হলো-সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে কঠোর আইন করতে হবে। মাধ্যমিক পর্যায় থেকে সাংবাদিকতা একটি অধ্যায় চালু করতে হবে। পেশাগত কাজে সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার ও হামলা-মামলার ব্যয়ভার সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে বহন করতে হবে। সারাদেশে হরতাল ও অবরোধ অথবা সংঘর্ষের ঘটনার সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ঝুঁকিভাতা দিতে হবে। কোনো সাংবাদিককে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়ালে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এ ১৫ বছরে যত সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে, সেগুলোর বাদীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থানে যেসব সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে, সেসব মামলা প্রত্যাহারসহ বাদীকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। প্রতিটি গণমাধ্যমে সাংবাদিকদের অনুকূলে কল্যাণ ফান্ড গঠন করতে হবে। যে কোনো মামলায় দোষী প্রমাণ হওয়ার আগে কোনো সাংবাদিককে পুলিশ  গ্রেপ্তার করতে পারবে না। পাশাপাশি গণমাধ্যম ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বেতন কাঠামো নির্ধারণ করতে হবে।