NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন লেবানিজ সেনা নিহত সিঙ্গাপুরে দুটি সোনার পদক জয় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক
Logo
logo

বালডোনির বিরুদ্ধে আরও এক অভিনেত্রীকে হয়রানির অভিযোগ


খবর   প্রকাশিত:  ২০ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০৮ এএম

বালডোনির বিরুদ্ধে আরও এক অভিনেত্রীকে হয়রানির অভিযোগ

‘ইট এন্ডস উইথ আস’ চলচ্চিত্রে তরুণী লিলি চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন ইসাবেলা ফেরের। তবে চলচ্চিত্রে প্রথমবার অভিনয়ের এক বছর পরই তিনি জড়িয়ে পড়েছেন এক তিক্ত আইনি লড়াইয়ে। এ দ্বন্দ্বে ছবির নায়িকা ব্লেক লাইভলি এবং পরিচালক জাস্টিন বালডোনি দুজনেই তাকে সমন পাঠিয়েছেন।

রবিবার ইসাবেলার আইনজীবী অভিযোগ করেন, বালডোনি আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে অভিনেত্রীকে নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করছেন। লাইভলির মামলায় তার প্রতিক্রিয়া কেমন হবে সেটিও নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছেন তিনি। অথচ ইসাবেলা চান এ বিতর্কে আর না জড়াতে।

 

লাইভলি পরিচালক বালডোনির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পর বালডোনি গোপনে তার ভাবমূর্তি নষ্টের প্রচারণা শুরু করেন। মামলায় বলা হয়েছে, চলচ্চিত্রে তরুণী লিলির কৌমার্য হারানোর একটি দৃশ্য যুক্ত করেন বালডোনি। সেই দৃশ্য ধারণের পর তিনি তরুণ অভিনেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি জানি এটা বলা উচিত নয় কিন্তু দৃশ্যটা ছিল উত্তপ্ত।’

অন্যদিকে বালডোনির আইনজীবীরা ইসাবেলার পাঠানো বার্তা প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি বালডোনিকে ‘চমৎকার পরিচালক’ এবং ‘কাজ করার জন্য অসাধারণ মানুষ’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। তাদের দাবি, ছবির প্রচারণাকালীন সময়ে লাইভলির সঙ্গে বিরোধ বাড়ার পর ইসাবেলা বাধ্য হয়ে বালডোনিকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন।

 

গত ফেব্রুয়ারিতে লাইভলির আইনজীবীরা ইসাবেলাকে সমন পাঠিয়ে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ বা বার্তা জমা দিতে বলেন। এতে তাকে আইনজীবী নিয়োগ করতে হয় এবং তিনি চান পরিচালকপক্ষ তার আইনগত ব্যয় বহন করুক।

কিন্তু ইসাবেলার আইনজীবী স্যানফোর্ড মিশেলম্যান অভিযোগ করেন, বালডোনি শর্তসাপেক্ষে সেই ব্যয় বহনের প্রস্তাব দেন যাতে ইসাবেলার আইনজীবী নিয়োগ ও জবাব দেওয়ার বিষয়টিও তার নিয়ন্ত্রণে থাকে। এমনকি এ যুক্তি সমর্থনে বালডোনিপক্ষ একটি ভুয়া মামলার নজিরও দেখিয়েছে, যা আইনজীবীর মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভ্রান্তি ছাড়া আর কিছু নয়।

ইসাবেলার আইনজীবী জানান, বালডোনির পক্ষ ইসাবেলাকে সমন দিতে চাইলেও তিনি গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বালডোনির দল আদালতের কাছে আবেদন করে যেন ইসাবেলার আইনজীবীকেই বাধ্য করা হয় সমন গ্রহণ করতে।

 

তবে ইসাবেলাপক্ষ বলছে, তাকে সমন এড়িয়ে চলার প্রমাণ দিতে পারেনি বালডোনিপক্ষ।

মিশেলম্যান আদালতে লিখেছেন, ‘ইসাবেলা আইনের সব বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে পালন করবেন। তবে তিনি কোনো পক্ষের ভয়ভীতি বা চাপে পড়ে মামলায় জড়িত হবেন না।’

ইসাবেলা আদালতের কাছে আবেদন করেছেন বালডোনির এ আবেদনের সম্পূর্ণ বাতিল ও তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।