NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

ফ্ল্যাট থেকে তারকা দম্পতির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ফ্ল্যাট থেকে তারকা দম্পতির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

আমেরিকার বিনোদন জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। লস অ্যাঞ্জেলেসের নিজ ফ্ল্যাট থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী থমাস ডেলুকা ও তার স্ত্রী আমেরিকান আইডলের পরিচালক রবিন কায়ের মরদেহ।

গত ১৪ জুলাই এই তারকা দম্পতিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (LAPD)-এর কর্মকর্তারা জানান, রবিন ও থমাসের মরদেহ বাসার দুটি আলাদা কক্ষে পড়ে ছিল। মাথায় গুলির চিহ্ন ছিল স্পষ্ট। পুলিশ বাসার মূল দরজায় রক্ত দেখতে পেয়ে জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপরই উদ্ধার করা হয় মরদেহ দুটি। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

পুলিশ জানিয়েছে, বাসার ভেতরে কোনো লুটপাট বা চুরির আলামত পাওয়া যায়নি। ফলে এটিকে ডাকাতি নয় বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, তবে এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

 

জানা গেছে, ঘটনার চারদিন আগে ১০ জুলাই থমাস ও রবিনের বাসায় ডাকাতির সন্দেহে পুলিশে খবর দেওয়া হয়েছিল। তারা জানান, এলএপিডির একটি হেলিকপ্টার তাদের বাসার ওপর দিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। যদিও সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো সন্দেহভাজন ধরা পড়েনি এবং ডাকাতির প্রমাণও মেলেনি। এই ঘটনার সঙ্গে ১৪ জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

ঘটনার পর প্রতিবেশীরা জানান, গত চারদিন ধরে ওই দম্পতির কোনো খোঁজ মেলেনি। তারা ফোন ধরছিলেন না, বাসার বাইরে দেখা যাচ্ছিল না কাউকে। এরপরই সন্দেহ জন্মায় এবং পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এখনো হত্যার পেছনে কোনো সুস্পষ্ট কারণ বা অপরাধী শনাক্ত হয়নি। তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আশা করছে সিসিটিভি ফুটেজ ও ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতে শিগগিরই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা যাবে।