NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন লেবানিজ সেনা নিহত সিঙ্গাপুরে দুটি সোনার পদক জয় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক
Logo
logo

ফ্ল্যাট থেকে তারকা দম্পতির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ফ্ল্যাট থেকে তারকা দম্পতির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

আমেরিকার বিনোদন জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। লস অ্যাঞ্জেলেসের নিজ ফ্ল্যাট থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী থমাস ডেলুকা ও তার স্ত্রী আমেরিকান আইডলের পরিচালক রবিন কায়ের মরদেহ।

গত ১৪ জুলাই এই তারকা দম্পতিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (LAPD)-এর কর্মকর্তারা জানান, রবিন ও থমাসের মরদেহ বাসার দুটি আলাদা কক্ষে পড়ে ছিল। মাথায় গুলির চিহ্ন ছিল স্পষ্ট। পুলিশ বাসার মূল দরজায় রক্ত দেখতে পেয়ে জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপরই উদ্ধার করা হয় মরদেহ দুটি। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

পুলিশ জানিয়েছে, বাসার ভেতরে কোনো লুটপাট বা চুরির আলামত পাওয়া যায়নি। ফলে এটিকে ডাকাতি নয় বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, তবে এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

 

জানা গেছে, ঘটনার চারদিন আগে ১০ জুলাই থমাস ও রবিনের বাসায় ডাকাতির সন্দেহে পুলিশে খবর দেওয়া হয়েছিল। তারা জানান, এলএপিডির একটি হেলিকপ্টার তাদের বাসার ওপর দিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। যদিও সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো সন্দেহভাজন ধরা পড়েনি এবং ডাকাতির প্রমাণও মেলেনি। এই ঘটনার সঙ্গে ১৪ জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

ঘটনার পর প্রতিবেশীরা জানান, গত চারদিন ধরে ওই দম্পতির কোনো খোঁজ মেলেনি। তারা ফোন ধরছিলেন না, বাসার বাইরে দেখা যাচ্ছিল না কাউকে। এরপরই সন্দেহ জন্মায় এবং পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এখনো হত্যার পেছনে কোনো সুস্পষ্ট কারণ বা অপরাধী শনাক্ত হয়নি। তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আশা করছে সিসিটিভি ফুটেজ ও ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতে শিগগিরই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা যাবে।