NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী বাংলাদেশ ও জার্মানি শক্তিশালী বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক চায় বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, যানবাহনে আগুন ভিসা জালিয়াতির দায়ে মার্কিন নাগরিকত্ব হারাচ্ছেন ভারতীয় সিইও বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার
Logo
logo

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিপ্পন ফাউন্ডেশন প্রধানের সমর্থন কামনা


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ মে, ২০২৫, ১০:০৫ এএম

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিপ্পন ফাউন্ডেশন প্রধানের সমর্থন কামনা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে তাদের নিজ দেশে ফেরাতে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের প্রধান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সমর্থন চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (২৮ মে) জাপানের রাজধানী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে প্রধান উপদেষ্টার সম্মানে এক নৈশভোজের আয়োজন করেন নিপ্পন ফাউন্ডেশন প্রধান। সেখানে তার সমর্থন কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা।

 

দুই নেতা রোহিঙ্গা সংকট, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বৈশ্বিকভাবে মানবিক সংকটগুলোর জন্য সহায়তা ও অনুদান কমে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস সহিংসতাপ্রবণ মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ইয়োহেই সাসাকাওয়ার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। সেখানে সামরিক বাহিনী বিভিন্ন আঞ্চলিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে।

 

নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রধান হিসেবে ইয়োহেই সাসাকাওয়া ১৫০ বারেরও বেশি মিয়ানমার সফর করেছেন এবং মিয়ানমার সরকার ও শতাধিক জাতিগোষ্ঠীর কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র।

অধ্যাপক ইউনূস রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে তাদের নিজ দেশে ফেরাতে সাসাকাওয়ার সমর্থন কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, মিয়ানমারের সব পক্ষের কাছেই আপনি গভীরভাবে সম্মানিত।

 

 

 

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রায় ৩৫ হাজার শিশুর জন্ম হচ্ছে, আর তারা কোনো আশার আলো ছাড়াই বড় হচ্ছে।