NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ | ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ছবি তোলার জন্য মিনতি করিনি—ট্রাম্পকে মেলোনির জবাব লেবাননে যুদ্ধবিরতি শুরু হাইতির জালে ব্রাজিলের গোল উৎসব অর্থাভাবে আটকে ছিল মারাঠি সিনেমা, মুক্তির ব্যবস্থা করে দিলেন শাহরুখ জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা
Logo
logo

অবশেষে জেডি ভ্যান্সের ভোটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন পিট হেগসেথ


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:২০ এএম

অবশেষে জেডি ভ্যান্সের ভোটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন পিট হেগসেথ

অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ভোট পেয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন পিট হেগসেথ। যুদ্ধ অভিজ্ঞ এবং ফক্স নিউজের সাবেক উপস্থাপক পিট হেগসেথ স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন সিনেটের ভোটে জয়ী হন। খবর বিবিসির।

মার্কিন সিনেটে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদের জন্য পিট হেগসেথ পেয়েছেন ৫১টি ভোট।

অপর দিকে তার বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৫০টি। 

 

এএফপির খবরে বলা হয়, হেগসেথকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করতে গিয়ে অনেক বেগ পেতে হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনকে। কারণ পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে তিনজন রিপাবলিকান সিনেটর ভোট দিয়েছেন; যার ফলে ভোট ৫০-৫০ টাই হয়। পরে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তার সিদ্ধান্তমূলক ভোটটি পিট হেগসেথের পক্ষে দেন।

যার ফলে পিট হেগসেথের জয় নিশ্চিত হয়।

 

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেডি ভ্যান্সই দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি একজন ব্যক্তিকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত করতে ভোট দিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য থেকে সিনেট নির্বাচনে লড়েছিলেন ৪৪ বছর বয়সী পিট হেগসেথ। সেখানেও তিনি নির্বাচনে জিততে পারেননি।

 

 

হেগসেথ মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন। তিনি আফগানিস্তান, ইরাক এবং কিউবার গুয়ানতানামো বে’তে ও কাজ করেছেন। এর আগে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প হেগসেথকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেন। তখন এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, হেগসেথ খুবই শক্তিশালী, সুদর্শন এবং আমেরিকাই প্রথম নীতিতে বিশ্বাসী।