NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ | ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

শি-লুকাশেংকোর বৈঠক, ২ দেশের সম্পর্ক জোরদারের প্রশংসা


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:০২ এএম

শি-লুকাশেংকোর বৈঠক, ২ দেশের সম্পর্ক জোরদারের প্রশংসা

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ও বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার লুকাশেংকো তাঁদের নিজেদের দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের প্রশংসা করেছেন। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে সোমবার তাঁদের বৈঠক হয়। এক প্রতিবেদনে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

রাশিয়ার কট্টর মিত্র লুকাশেংকো গত রবিবার বেইজিংয়ে যান।

 
চলতি বছর বেইজিংয়ে লুকাশেংকোর দ্বিতীয় সফর এটি। তিনি অন্তত দুই দিন চীন সফর করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে চীনে গিয়েছিলেন তিনি।

 

চিনপিংকে লুকাশেংকো বলেন, ‘বেলারুশ চীনের নির্ভরযোগ্য অংশীদার ছিল, আছে ও থাকবে।

 
আমরা অনেক আগেই চীনের সঙ্গে মিত্রতা ও সহযোগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এই মিত্রতা ৩০ বছরের বেশি সময় পুরনো। এই মিত্রতার পথ কখনো বদলায়নি।’

 

অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারকারী সিসিটিভি অনুসারে, চিনপিং বলেছেন, লুকাশেংকোর সর্বশেষ সফরের পর থেকে দুই দেশের রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাস ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরো শক্তিশালী হয়েছে।

 
চীন বেলারুশকে তার জাতীয় অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে এবং বেলারুশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে।

 

চীনা প্রেসিডেন্ট বলেছেন, চীন বেলারুশের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে, একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করতে এবং বাস্তবসম্মত সহযোগিতাকে উন্নত করতে ইচ্ছুক।

যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশের চাপ সত্ত্বেও বেইজিং প্রকাশ্যে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের নিন্দা জানায়নি। বেলারুশ রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার জন্য রাশিয়ার ওপর অনেক বেশি নির্ভর করে।