NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ | ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

ক্যামেরনের প্রত্যাবর্তনে নতুন করে নজরে ব্রিটিশ মধ্যপ্রাচ্যনীতি


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৯:৫৪ পিএম

ক্যামেরনের প্রত্যাবর্তনে নতুন করে নজরে ব্রিটিশ মধ্যপ্রাচ্যনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-হামাস সংঘাত আর লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের উত্তাল সময়ে ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গনে অপ্রত্যাশিতভাবেই প্রত্যাবর্তন ঘটেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের। কারো কারো মতে, ক্যামেরনের এই প্রত্যাবর্তনে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে ব্রিটিশ নীতির অভিমুখ নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

সদ্য যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া ডেভিড ক্যামেরন একসময় হামাসের কারণে কঠোর ইসরায়েলি অবরোধের শিকার গাজা উপত্যকাকে ‘বন্দিশালা’ আখ্যা দিয়েছিলেন। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনে ‘দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের’ পক্ষেও সোচ্চার ছিলেন তিনি।

 
পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের পুরনো মিত্র ইসরায়েলের কট্টর সমর্থকও ছিলেন।

 

লন্ডনের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের (এসওএনএস) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক বেন হুইথাম বলেছেন, যদিও ধারণা করা হচ্ছে ক্যামেরন ‘অধিকতর সমঝোতামূলক সুরে’ কথা বলবেন, তবে চলতি সংঘাতে শেষ পর্যন্ত তিনি ফিলিস্তিনিদের পক্ষে যাবেন না।

অধ্যাপক হুইথাম বলেন, ‘কনজারভেটিভ দলের কিছু অভ্যন্তরীণ বিভেদ সারিয়ে তোলাও’ ক্যামেরনকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল।

এসওএনএসের এ শিক্ষক আরো বলেন, ‘সৌদি নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারদের সঙ্গে ক্যামেরনের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়।

 

 
অবৈধ বসতির নিন্দা
প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ২০১০ সালে তুরস্ক সফরে গিয়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতির নিন্দা জানিয়েছিলেন ক্যামেরন। গাজাকে বন্দিশালা করে রাখা বরদাশত করা হবে না বলেও সে সময় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তবে ২০১৪ সালে ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানির অনুমোদন না দিতে জোট সরকারের অংশীদারদের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে তাঁর দল।

 

অধ্যাপক হুইথামের মতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের ব্যক্তিগত সম্পর্ক তাঁর রাজনীতিতে ফেরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

 

 

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সম্পৃক্ততা
ক্যামেরন মধ্যপ্রাচ্যে ‘সন্ত্রাসী’ গোষ্ঠীগুলোকে দমনে ব্রিটেনের ‘সামরিক শক্তি’ ব্যবহারের পক্ষে ছিলেন। হুইথাম বলেন, অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতোই ক্যামেরন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অংশে প্রাণঘাতী বাহিনী মোতায়েনের পথ খুলে দিয়েছিলেন।

সুনাক কেন তাঁকে আনলেন
২০১৬ সালে গণভোটে যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষে রায় এলে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান ক্যামেরন। এরপর মূলধারার রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন তিনি। সুয়েলা ব্রেভারম্যানের প্রস্থান আর ক্যামেরনের প্রত্যাবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে, ঋষি সুনাক শেষ পর্যন্ত তাঁর আসল রূপ সামনে এনে মধ্যপন্থীদের প্রতি সমর্থনের বিষয়টিই প্রকাশ করেছেন।

 

 

পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকারে ক্যামেরনের প্রত্যাবর্তন বলছে, সুয়েলা ব্রেভারম্যানের সমর্থক দলের ডানপন্থী অংশকে তুষ্ট করার চেয়ে ঋষি সুনাক মন্ত্রিসভায় আরো মধ্যপন্থী অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে চান। সরকারকে মধ্যপন্থার দিকে নিয়ে যাওয়া কার্যকর কৌশল বলেও মনে হচ্ছে।

সূত্র : আলজাজিরা, সিএনএন