NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

সুদানে সেনাশাসন বিরোধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৮


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:৩৯ পিএম

>
সুদানে সেনাশাসন বিরোধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৮

সুদানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) আফ্রিকার এই দেশটিতে সেনাশাসন বিরোধী বিক্ষোভে গুলিবর্ষণের পর প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আট মাস আগে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সমাবেশ করতে বৃহস্পতিবার সুদানের রাস্তায় নেমে আসে হাজারও মানুষ। এসময় সেনাবাহিনীকে বেসামরিক সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ারও দাবি জানান তারা। অবশ্য এই বিক্ষোভ রুখতে কঠোর নিরাপত্তা পদক্ষেপ নেওয়াসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ করে দেয় দেশটির সরকার।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী একত্রিত হয়ে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাদেরকে বাধা দেয়। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও জলকামান ব্যবহার করে নিরাপত্তা কর্মীরা।

সংবাদমাধ্যম বলছে, নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান দিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে চাইলেও কাজ হয়নি। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্টের প্যালেসের দিকে এগোতে থাকেন। তখন নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। তাতেই অন্তত আটজন বিক্ষোভকারী মারা যান।

সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে বলছে, সেনা-অভ্যুত্থানের তৃতীয় বর্যপূর্তি উপলক্ষে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল। স্বৈরাচারী নেতা ওমর আল-বাশিরের বিরুদ্ধে ছিল এই বিক্ষোভ। বিক্ষোভের ডাক দেওয়ার পরই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীরা যেন তাদের সংখ্য়াবৃদ্ধি না করতে পারে, তার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও খার্তুম ও তার পাশের দুই শহরে লাখখানেক বিক্ষোভকারী জমায়েত হন। সুদানের দু’টি বেসরকারি ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে নেট বন্ধের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।