NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি সহায়তা


খবর   প্রকাশিত:  ১৪ নভেম্বর, ২০২৩, ১২:০০ এএম

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি সহায়তা

ঢাকা: ঘূর্ণিঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি ত্রাণ সহায়তা হিসেবে আড়াই লাখ ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এ অর্থ ব্যয় করা হবে। আজ বুধবার (১৭ মে) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের জনগণ ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোখা বঙ্গোপসাগর দিয়ে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আঘাত করে। এটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ এবং শরণার্থীশিবিরের প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে প্রভাবিত করে। ঝড়টি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল। ফলে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য ভারি বৃষ্টিপাত হয়। ওই সময়  বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার। যার ফলে ব্যাপকভাবে ঝড়, বন্যা ও ভূমিধস হয়।

মার্কিন দূতাবাস জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিগত পাঁচ দশকের অংশীদারত্বে দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান উন্নত করতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে। ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে, মার্কিন সরকার ২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ৯০০টি বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করেছে।

আগাম সতর্কতা ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করেছে, যা লক্ষাধিক মানুষকে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা এবং অন্যান্য জরুরি অবস্থা থেকে নিরাপদ রাখছে। এ ছাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণ তৎপরতায় সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে যুক্তরাষ্ট্র।