NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ | ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমিশা প্যাটেল কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’
Logo
logo

যুক্তরাজ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয়ের প্রস্তাব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৭:৫২ এএম

যুক্তরাজ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয়ের প্রস্তাব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকা: যুক্তরাজ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রস্তাব করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। রোববার (২৬ জুন) রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনের সাইডলাইনে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিজাবেথ ট্রসকে এ প্রস্তাব দেন ড. মোমেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ড. মোমেন প্রস্তাব করেন যে, যেহেতু বিচার ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য চ্যাম্পিয়ন, তারা ১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার কথা বিবেচনা করতে পারে।

৭০ ও ৯০-এর দশকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিল এবং ফেরতও গিয়েছিল উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওই সময়ে মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল বলে তারা ফেরত গিয়েছিল।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে এলিজাবেথ ট্রস বলেন, বিষয়টি বিবেচনা করবে যুক্তরাজ্য। তবে রোহিঙ্গা সমস্যার সবচেয়ে ভালো সমাধান হচ্ছে, তাদের মিয়ানমারে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন। এখন তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা নেই এবং যুক্তরাজ্য ও পশ্চিমা বিশ্ব সেখানে বিনিয়োগ করছে।

বাংলাদেশ থেকে কম-সংখ্যক শিক্ষার্থীর যুক্তরাজ্যে যাওয়া নিয়ে ব্রিটিশমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করলে আব্দুল মোমেন বলেন, এখন যুক্তরাজ্য কম-সংখ্যক ভিসা ইস্যু করছে। তিনি শিক্ষার্থী ও বিজনেস ভিসা ঢাকা থেকে দেয়ার অনুরোধ করেন।

উভয় মন্ত্রী ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হোন।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিটিশ মন্ত্রীকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান।