NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ | ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের
Logo
logo

ড. ইউনূস নিজের কর্মকাণ্ডের জন্যই অসম্মানিত হয়েছেন : সেতুমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৯:১৭ এএম

ড. ইউনূস নিজের কর্মকাণ্ডের জন্যই অসম্মানিত হয়েছেন : সেতুমন্ত্রী

ঢাকা: যারা মৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে জীবিত করতে চায়, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ বৃস্পতিবার সকালে রাজধানীর গেণ্ডারিয়ায় এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ ও আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।

আগামীকাল ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আঞ্জুমানে মফিদুল এতিমখানায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপকমিটি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশ তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে মাতামাতি করে না, সেখানে বিএনপি নির্লজ্জের মতো এটা নিয়ে কথা বলে। একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া পৃথিবীর কোনো দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নেই।

তিনি বলেন, সারা বিশ্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা নেই। দেশের সর্বোচ্চ আদালত এ ব্যবস্থা চিরদিনের জন্য নিষিদ্ধ করেছেন, সেটা নিয়ে বিএনপি মাতামাতি করছে। তাদের লজ্জা থাকা উচিত।

কাদের বলেন, ইতিহাসের বেইমানদের মতো কিছু বিশ্বাসঘাতকের ষড়যন্ত্রের কারণে পরাজয়ের খেসারত দেন বঙ্গবন্ধু। যারা বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করে না তারা এ দেশের জন্ম চেতনাকে বিশ্বাস করে না। বঙ্গবন্ধু শিশুদের ভালোবাসতেন, গুরুত্বও দিয়েছেন আগামীর ভবিষ্যৎ হিসেবে। বাংলাদেশকে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে।

ড. ইউনূসকে নিয়ে ৪০ বিশ্বনেতার চিঠি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে মানুষ বাংলাদেশ নিয়ে ভাবে না, তাকে নিয়ে আমাদের ভাবার প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশের কোনো দুর্যোগে তিনি ভাবেননি। যিনি নিজেই আইন ভাঙেন। ৬০ বছর পর জোর করে এমডি পদে থেকে নিজেই আইন ভেঙেছেন। নিজের কর্মকাণ্ডেই তিনি অসম্মানিত হয়েছেন।’

ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীও বক্তব্য রাখেন।