NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস
Logo
logo

বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই সেভকে ক্যারিয়ার সেরা বলছেন মার্টিনেজ


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৮:০৭ এএম

>
বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই সেভকে ক্যারিয়ার সেরা বলছেন মার্টিনেজ

কাতার বিশ্বকাপের পুরোটা জুড়েই দুর্দান্ত ছিলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। বিশেষ করে ফাইনাল ম্যাচে তার এক অনন্য রূপ দেখেছে ফুটবল ভক্তরা। অতিরিক্ত মিনিটে র‍্যান্ডাল কোলো-মুয়ানির নেয়া শট মার্টিনেজ সেভ করায় ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়িয়েছিল। আর এই সেভকেই নিজের ক্যারিয়ার সেরা বলছেন বিশ্বকাপজয়ী এই গোলকিপার। 

বক্সের ভেতর আর্জেন্টিনা গোলকিপারকে সামনাসামনি একা পেয়ে গিয়েছিলেন মুয়ানি। চলতি বলে ভলি করে শটও নিয়েছিলেন, কিন্তু মার্টিনেজ রীতিমতো জাদুবলে বাঁ পা দিয়ে বলটি ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন। আর তাতে শুধু একটা গোলই রক্ষা পায়নি, একটা বিশ্বকাপ নিজেদের ঘরে তুলতে পেরেছিল মেসির আর্জেন্টিনা।

মার্টিনেজ বলেন, 'আমি কিছুটা চাপে ছিলাম। আপনি দেখবেন, আমার বাম হাত এবং আমার বাম পা পাশা-পাশি পোস্টে ছিল কারণ আমি প্রার্থনা করছিলাম এবং ভাবছিলাম যে বলটি সেখানে যাবে। আমি আমার মুখ নড়াচড়া করিনি, চোখ বন্ধ করে আমি ভেবেছিলাম 'আমার শরীরে বল এসে আঘাত করুক' এবং সেটিই হয়েছিল। আমি কখনো মুখ ফেরাইনি। যদি বল আমার এখানে (তার নাকের দিকে ইশারা করে) আঘাত করে। আপনি জানেন যে, এটি নিশ্চিত করতে হবে বল যেন গোলপোস্টের ভেতরে না যায়। এটি সম্ভবত আমার ফুটবল ক্যারিয়ারের সেরা সেভ হবে।'

মূলত ফরাসি স্ট্রাইকার মুয়ানির সামনে বলটি পড়ে একটু বাঁক নিয়েছিল। মার্তিনেজ তা খেয়াল করেন। তার বাঁ পাশের ফাঁকা জায়গা পূরণ করতে ইচ্ছে করেই মুয়ানির সামনে আড়াআড়িভাবে পা বাড়িয়ে দেন তিনি। তাতে বল তার গায়ে লেগে আটকে যায়।

এরপর টাইব্রেকারে ফরাসিদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পায় আর্জেন্টিনা। এরফলে ৩৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ শিরোপা ছুঁয়ে দেখতে পারে আলবিসেলেস্তারা। দলের পাশাপাশি সফল ছিলেন মার্টিনেজও। আসরে সেরা গোলাকিপারের পুস্কার জেতেন তিনি।