NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ২৫, ২০২৬ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

অভিনেতা সুমনের সঙ্গে বিচ্ছেদ, সাত মাস পর কাজে ফিরলেন সুরভি


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ নভেম্বর, ২০২৩, ০৩:২২ পিএম

>
অভিনেতা সুমনের সঙ্গে বিচ্ছেদ, সাত মাস পর কাজে ফিরলেন সুরভি

অভিনেতা সুমন দের সঙ্গে সুরভির সান্যালের প্রেম ও বিচ্ছেদ নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। গত জানুয়ারি মাসে অভিনেতা সুমনের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘোষণা করেন সুরভি। প্রেম ভাঙার পর খানিকটা হতাশা গ্রাস করেছিল তাকে। ‘ত্রিশূল’ সিরিয়ালে অভিনয়ের পর বেশ কিছু দিন কাজও ছিল না। হতাশা কাটিয়ে অবশেষে কাজে ফিরলেন সুরভি। 

ব্যক্তিগত সমস্যাকে দূরে রেখে প্রায় সাত মাস পরে আবার কাজে ফেরা, কেমন অনুভূতি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ, একটা তো হতাশা হয়েছিল। হয়নি বললে ভুল বলা হবে। এখন আমি পুরোপুরি সুস্থ। কাজে ফিরেছি। ভালো লাগছে। এখনও পর্যন্ত তো ইতিবাচক চরিত্রেই তো দেখানো হচ্ছে আমায়। আগামী দিনে কীভাবে দেখা যাবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে স্নেহাশিস দা। 

তিনি বলেন, এই সময়টা কাটিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি সবসময় ভালো থাকাটা ঠিক নয়। জীবনে খারাপ সময়ও আসা উচিত। তবে তো মানুষ চেনা যাবে। এখন আমি সহজে মানুষকে বিশ্বাস করতে পারি না। বুঝে কথা বলি। তাই ভালোর পাশাপাশি খারাপটাও হওয়া দরকার জীবনে। 

উল্লেখ্য, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সুমনের সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন সুরভি। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, প্রায় এক মাস হয়ে গেল আমার সঙ্গে সুমনের কোনো যোগাযোগ নেই। বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালের দিনে ওর ফ্ল্যাটে হাতেনাতে অন্য নারীর সঙ্গে ধরি সুমনকে। তারপর আর আমার বলার ভাষা ছিল না। আমি ভাবতেই পারছি না ও এভাবে চিট করল। ‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চে নিজেদের সম্পর্কের কথা, বিয়ের কথা ঘোষণা করেছিলাম। মধ্যবিত্ত পরিবার আমাদের। রাস্তাঘাটে মা-বাবাকে কথা শুনতে হচ্ছে। সেটা ভেবেই খারাপ লাগছে।