NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

ছাড় পেলেন পরীমণি


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৪:১০ এএম

>
ছাড় পেলেন পরীমণি

আইনি ঝামেলায় কিছুটা স্বস্তি মিলল ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণির। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের যে মামলায় তাকে নিয়মিত হাজিরা দিতে হতো, সেখানে ছাড় পেয়েছেন তিনি। এখন থেকে আর সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে তাকে হাজিরা দিতে হবে না।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক নজরুল ইসলামের আদলত পরীমণির শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে এ আদেশ দেন। এদিন সকালে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হাজিরা দেন নায়িকা।

বৃহস্পতিবার এ মামলার বাদী র‌্যাব-১ এর কর্মকর্তা মজিবর রহমানের সাক্ষ্যের জেরা করার জন্য দিন ধার্য ছিল। তাকে পরীমণির আইনজীবী জেরা করেছেন।

এর আগে গত ২৯ মার্চ শারীরিক অসুস্থতার কারণে আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন পরীমণি। সেদিন বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক নজরুল ইসলামের আদালত মামলার পরবর্তী তারিখ ১২ মে ধার্য করেন।

১২ মে আদালতে উপস্থিত হয়ে হাজিরা মওকুফের আবেদন করেন পরীমণি। তার ওই আবেদন গ্রহণ করেছেন আদালত। তাই এখন থেকে আর আদালতে গিয়ে হাজিরা দিতে হবে না তাকে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীতে পরীমণির বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। পরে রাজধানীর গুলশান থানায় করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলার দুই মাসের মাথায় গত বছরের ৪ অক্টোবর আদালতে পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। অভিযোগপত্রে ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র গত বছরের ১৫ নভেম্বর আমলে নেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ বদলি করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, পরীমণির বাসা থেকে জব্দ মাদকদ্রব্যের বৈধ কোনো কাগজপত্র ছিল না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে সিআইডিকে জানানো হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে পরীমণির নামে মদজাতীয় পানীয় সেবনের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। গত বছরের ৩০ জুন ওই লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়। মামলার দুই আসামি আশরাফুল ও কবিরের মাধ্যমে পরীমণি বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বাসায় রেখেছিলেন। মাদকদ্রব্য রাখার বিষয়ে তিনি কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।