NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

সু চির বিচার আদালত থেকে কারাগারে স্থানান্তর


খবর   প্রকাশিত:  ২০ এপ্রিল, ২০২৫, ০১:০৫ পিএম

>
সু চির বিচার আদালত থেকে কারাগারে স্থানান্তর

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির বিচার প্রক্রিয়া রাজধানী নেইপিদোর বিশেষ আদালত থেকে কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। কোনো প্রকার ব্যাখ্যা ছাড়াই ক্ষমতাসীন জান্তা এই নির্দেশ দিয়েছে বলে বুধবার রয়টার্সকে জানিয়েছে সু চির মামলা সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।

নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেন, ‘বুধবার বিচারক বলেছেন, এখন থেকে নতুন আদালত ভবনে (সু চির) বিচার কার্যক্রম চলবে।’

‘তবে আমরা জানতে পেরেছি, নতুন ভবন বলতে নেইপিদোর কারাগারকেই বুঝিয়েছেন আদালত।’

তবে কারাগারে বিচার কার্যক্রম চালালেও সু চিকে আপাতত কারাগারে থাকতে হবে না বলে জানিয়েছে সূত্র। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকে যেখানে তাকে বন্দি রাখা হয়েছে, সেখানেই তাকে রাখার অনুমতি দিয়েছেন জান্তা প্রধান মিন অং হ্লেইং।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও বন্দি হন সু চি। মিয়ানমারের তৎকালীন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন।

বন্দি করার পর অজ্ঞাত এক স্থানে রাখা হয় সু চিকে। সেই অজ্ঞাত স্থানের ঠিকানা জান্তা ছাড়া আর কেউ জানে না।

ইতোমধ্যে কারাবন্দি ৭৭ বছর বয়সী ও নোবেলে পুরস্কারজয়ী রাজনীতিক সু চির বিরুদ্ধে অন্তত ২০টি মামলা করেছে জান্তা বাহিনী। এসবের অধিকাংশই দুর্নীতি মামলা। নেইপিদোর বিশেষ আদালতে সেসব মামলার বিচার চলছে, যদি সব মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, সেক্ষেত্রে অন্তত ১৫০ বছর কারাগারে থাকতে হবে সু চিকে।

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে সামরিক সরকারের একাধিক মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, তবে কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।