NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ থেকে কী পাবে কংগ্রেস


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ মার্চ, ২০২৫, ০৫:৫৪ এএম

>
‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ থেকে কী পাবে কংগ্রেস

তৃণমূল স্তরে কর্মীদের মধ্যে সংযোগ ও জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’। 

দীর্ঘ ৩ হাজার ৫৭০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ১২টি রাজ্য অতিক্রম করে এই লংমার্চ শেষ হবে সর্ব-উত্তরের রাজ্য কাশ্মিরের শ্রীনগরে গিয়ে। 

তিন হাজার কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে কংগ্রেস সমর্থকরা এখন রয়েছেন উত্তর প্রদেশে। কংগ্রেস নেতারা মানছেন, দক্ষিণের মতো উত্তরেও ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’য় অপ্রত্যাশিত সাড়া মিলেছে। কিন্তু ভোটের রাজনীতিতে এর ফল কী হবে, তা নিয়ে তারা কেউই নিশ্চিত নন। 

হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে রাহুল গান্ধী বলেছেন, কংগ্রেস হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশের মতো হিন্দি বলয়ের রাজ্যে সরকার গড়বে। কিন্তু তা নিয়ে তিনি মোটেই আগ্রহী নন। কংগ্রেস যে রাজ্যে সরকার গড়বে, সেখানে পাঁচ বছরে কংগ্রেস কী কাজ করছে, তা নিয়ে তিনি বেশি আগ্রহী। 

এই পদযাত্রা থেকে তিনি কী আশা করছেন, পদযাত্রা শেষ হওয়ার পরে তিনি কী করবেন— তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রাহুল বলেন, অর্জুন যখন মাছের চোখকে লক্ষ্য হিসেবে স্থির করেছিলেন, তখন কি উনি বলেছিলেন লক্ষ্যভেদের পরে কী করবেন? ভাগবত গীতাতেও এর উত্তর রয়েছে। তুমি তোমার কাজ করে যাও। যা ফল হওয়ার, তা হবে। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তথা আরএসএস-কে নিশানা করে রাহুল বলেছেন, মোদি চান, তাকে সবাই পূজা করুক। আরএসএস-ও জোর করে পূজা চায়। তাই সমস্ত প্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম দখল করে, ভয় তৈরি করে। মোদি তাই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন না। কিন্তু এই দেশ পূজারিদের দেশ নয়, এটা তপস্বীদের দেশ।

এদিকে বিজেপি নেতারাও নড়েচড়ে বসেছেন। যদিও এখনও তারা মনে করছেন, রাহুল-প্রিয়ঙ্কার কর্মসূচিতে বরাবরই ভিড় হয়। কিন্তু তাতে কংগ্রেসের নির্বাচনী বা রাজনৈতিক লাভ হয় না। বিজেপি-আরএসএসের ‘বিভাজন ও বিদ্বেষের রাজনীতি’-র বিরুদ্ধে লড়তে ভারত জোড়ো-র ডাক দিয়ে পদযাত্রাটা সঠিক রাজনৈতিক কৌশল কি না, তা নিয়ে কংগ্রেসের একাংশসহ বিরোধী শিবিরেই দ্বিমত রয়েছে।