NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬ | ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও উত্তাল ফ্রান্স, বিক্ষোভে সংঘর্ষ ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইন চান কৃতি শ্যানন গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

পদ্মা সেতু ইস্যুতে বিশ্বব্যাংক ক্ষমা চাইলে তা লজ্জার হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৪:৫৭ এএম

পদ্মা সেতু ইস্যুতে বিশ্বব্যাংক ক্ষমা চাইলে তা লজ্জার হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা : ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ানোয় বিশ্বব্যাংকের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তার দাবি, তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছিল, সংস্থাটির উচিত তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া। বৃহস্পতিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

পদ্মা সেতু আর স্বপ্ন নয়, এক বাস্তবতা। নিজ দেশের সক্ষমতার পরিচয় দিচ্ছে খরস্রোতা নদীর ওপর মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো এই সেতু। তবে এই প্রকল্পের শুরুর দিকে ছিল তিক্ত অভিজ্ঞতা। দুর্নীতির অভিযোগে এর অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ায় বিশ্বব্যাংক। তবে কোনো অর্থ ছাড়ের আগেই সে অভিযোগ টেকেনি কানাডার আদালতে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেই বির্তকিত সিদ্ধান্তের জন্য বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের কাছে নতজানু হতে হবে। শুধু তাই নয়, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর ছুঁড়েছিলো তাদের কাছে চাইতে হবে ক্ষমা। তিনি বলেন, তাদের (বিশ্বব্যাংক) অবশ্যই ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাদের নিশ্চয়ই দুঃখ হওয়া উচিত যে তারা এত অন্যায় কাজ করেছে! বড় প্রতিষ্ঠান যে সব সময় ভালো করে বিষয়টি তা না। এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।

তিনি আরো বলেন, মিথ্যা অভিযোগে বহু লোককে তারা (বিশ্বব্যাংক) জ্বালাতন করেছে। তাদের অবশ্যই ক্ষমা চাওয়া উচিত এবং ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিত। যে লোকগুলোকে বিশ্বব্যাংক হয়রানি করেছে, হেস্তনেস্ত করেছে, তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিত। আর তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত এবং বলা উচিত যে আমরা খুব অন্যায় কাজ করেছি।

এছাড়া নতুন আঞ্চলিক জোটগুলোতে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রেও সাবধানী হতে চায় সরকার। এসব জোট থেকে চাওয়া-পাওয়ার হিসাব না মেলা পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না বলেও জানান এ কে আব্দুল মোমেন। নতুন এসব জোটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ফোরামগুলো সরকারকে এখনও কোনো স্বচ্ছ ধারনা দিতে পারেনি বলেও জানান মন্ত্রী।