NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

ছয় মাস পর করোনায় মৃত্যু দেখল বেইজিং


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৭:৫৭ এএম

>
ছয় মাস পর করোনায় মৃত্যু দেখল বেইজিং

কঠোর জিরো কোভিড নীতি নেওয়া সত্ত্বেও শ্বাসতন্ত্রের প্রাণঘাতী রোগ করোনায় আক্রান্ত রোগী বাড়ছে চীনে। রাজধানী বেইজিংয়ে ইতোমধ্যে কোভিডজনিত অসুস্থতায় হয়ে ৩ জন মারা গেছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।

বেইজিংয়ে প্রথম মৃত্যুটি হয় গত ১৯ নভেম্বর। তারপর গত তিন দিনে কোভিডজনিত অসুস্থতায় মারা গেছেন আরও ২ জন।

চলতি বছর মে মাসের পর ১৯ নভেম্বর করোনায় মৃত্যু দেখল বেইজিং। মাঝখানের ৬ মাসে চীনের রাজধানীতে কোভিডজনিত অসুস্থতায় মৃত্যুর কেনো ঘটনা ঘটেনি।

সম্প্রতি রাজধানীসহ চীনজুড়ে করোনার উল্লম্ফণ শুরু হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার চীনে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ১২৭ জন, যা গত এপ্রিল মাসের পর একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড।

সোমবার চীনে যতসংখ্যক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের অর্ধেকই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর গুয়াংঝৌ এবং দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর চংকিংয়ের বাসিন্দা।

অন্যদিকে রাজধানী বেইজিংয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রুখতে ইতোমধ্যে রাজধানী প্রশাসনের কর্মকর্তারা বেইজিংয়ে স্কুল, পার্ক, শপিংমল বন্ধ ঘোষণা করেছে, সেই সঙ্গে বেইজিংবাসীকেও অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

২০২০ সালে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত চীনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫ হাজার ২২৯ জনের। বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে অবশ্য এই সংখ্যা অনেক কম। মহামারির শুরু থেকেই দীর্ঘমেয়াদী লকডাউন, ভ্রমণ বিধিনিষেধ, ব্যাপক টেস্ট ও টিকাদান কর্মসূচীর মাধ্যমে অন্যান্য দেশের তুলনায় করোনায় আক্রান-মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছিল চীন।

চলতি বছরের শুরু থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশ কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল করে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে যাওয়া শুরু করলেও চীন এখনও কঠোর সব করোনাবিধি চালু রেখেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশ থেকে করোনা নির্মূলে ‘জিরো কোভিড’ নীতি নিয়েছে চীন।

বর্তমানে রাজধানী বেইজিংসহ বিভিন্ন শহরে লকডাউনের কারণে চীনে ‘গৃহবন্দি’ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন ২ কোটি ১০ লাখেরও বেশি মানুষ।