NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

ফাইভ জি যুগে প্রবেশ করল ভারত


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ নভেম্বর, ২০২৩, ০৮:৪৫ এএম

>
ফাইভ জি যুগে প্রবেশ করল ভারত

দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে মোবাইল প্রযুক্তির পঞ্চম প্রজন্ম বা ৫ জি যুগে প্রবেশ করেছে ভারত। শনিবার রাজধানী দিল্লির প্রগতি ময়দানে এক আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে এই মোবাইল পরিষেবা উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারতের টেলিযোগাযোগ দপ্তরের (ডিওটি) একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে রাজধানীতে এবং আগামী ২৪ অক্টোবর দীপাবলী উৎসবের পর মুম্বাই, চেন্নাইসহ ভারতের ১৩টি শহরে চালু হবে এই পরিষেবা। আগামী দু’বছরের মধ্যে পুরো ভারত ফাইভ জি নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে আশা করছে কেন্দ্রীয় সরকার।

দিল্লির প্রগতি ময়দানে শুরু হয়েছে ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস। আজ শনিবার থেকে আগামী ৪ অক্টেবর, মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন।  ১ থেকে ৪ অক্টোবর আয়োজিত হবে ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস।

ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন সিমকার্ড প্রস্তুকারী কোম্পানি রিলায়েন্স জিয়ো, সুনীল ভারতী মিত্তালের ভারতী এয়ারটেল, কুমার মঙ্গলম বিড়লার ভোডাফোন আইডিয়াসহ দেশটির সব সিমকার্ড প্রস্তুতাকারী কোম্পানি অংশ নিয়েছে সেই কংগ্রেস বা মেলায়।

শনিবার ফাইভ জি পরিষেবা উদ্বোধনের পর মেলায় বিভিন্ন কোম্পানির স্টল পরিদর্শন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

ভারতের টেলিকম ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের দাবি, ভারতের জন্য ব্যাপক লাভজনক হবে এই ফাইভ জি প্রযুক্তি এবং ২০২৩ সাল থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে কেবল এই খাত থেকেই ভারতের আয় হবে অন্তত ৫০ কোটি ডলার।

ফাইভ জি স্পেকট্রামের সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে মুকেশ আম্বানির প্রতিষ্ঠান রিল্যায়্যান্স জিয়ো। ফাইভ-জি স্পেকট্রামের ৮৮ হাজার ৭৮ কোটি টাকার বরাদ্দ পেয়েছে এই কোম্পানি। মোট ১০টি ব্যান্ডের ৭২ হাজার ৯৮ মেগাহার্টজের স্পেকট্রাম নিলামে তোলা হয়েছিল। এর মধ্যে ৭১ শতাংশ বিক্রি হয়েছে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকায়।

ভারতের টেলিকম কোম্পানিসমূহের আশা, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির এক তৃতীয়াংশ মোবাইলে চালু হয়ে যাবে ফাইভ-জি পরিষেবা চালু হয়ে যাবে।

ফাইভ-জি পরিষেবায় ইন্টারনেটের গতি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। ফলে যে কোনও বড় ফাইল, সিনেমা কিংবা গান ডাউনলোড হবে কয়েক মুহূর্তেই। ই-হেলথ, মেটাভার্সের দিক থেকেও অনেক এগিয়ে থাকবেন ফাইভ-জি ব্যবহারকারীরা।