NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬ | ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও উত্তাল ফ্রান্স, বিক্ষোভে সংঘর্ষ ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইন চান কৃতি শ্যানন গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

এবার ইতালিতে বিক্ষোভ ও সহিংসতা, আটক ২৭১


খবর   প্রকাশিত:  ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১০ এএম

এবার ইতালিতে বিক্ষোভ ও সহিংসতা, আটক ২৭১

ইতালির মিলান শহরে দুর্বল সরকারি পরিষেবা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাড়তি দামের প্রতিবাদে টানা দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভে ২৭১ জন তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার বিক্ষোভ চলাকালে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

এ সময় বিভিন্ন দোকানে লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

 

টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যায়, দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। অন্যদিকে কয়েকশ মুখোশধারী বিক্ষোভকারী শহরের কেন্দ্রে ময়লার পাত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় ক্রীড়াসামগ্রীর দোকান ডেকাথলন ও আর্কটেরিক্স এবং ভোডাফোনের মতো প্রতিষ্ঠানের দোকানেও লুটপাট চালানো হয়।

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি পরিষেবার দুরবস্থা ও ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। ইতালির মিলানে বিক্ষোভের ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ২৩ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং ১৩ জন বিদেশি নাগরিক।

এ ছাড়া আরো ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

 

পুলিশের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার মিলান, বোলোগনা, ব্রেসিয়া, বেরগামো ও তুরিনসহ ইতালির উত্তরের কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় ২৮ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

দুর্বল সরকারি পরিষেবা ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের প্রতিবাদে ইতালিতে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। একই ধরনের অসন্তোষ দেখা গেছে প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্সেও।

সেখানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সরকারি পরিষেবার অবনতির প্রতিবাদে শনিবার বিপুলসংখ্যক মানুষ রাস্তায় নামেন।

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে ওই বিক্ষোভকে দেশটির অন্যতম সহিংস বিক্ষোভ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বিক্ষোভের সময় সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন।

পরিস্থিতি মোকাবেলার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে তিনি সোমবার একটি সরকারি বৈঠক ডেকেছেন। আগামী বছর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন তিনি।