প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (২ অক্টোবর) যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থেকে ৭০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। তাদের মধ্যে আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যও রয়েছেন।
খবর প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১০ এএম

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (২ অক্টোবর) যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থেকে ৭০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। তাদের মধ্যে আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যও রয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানান, অননুমোদিত জমায়েত ঠেকাতে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে। দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে। বিক্ষোভস্থল এবং আশপাশের এলাকাতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় বলে জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।
এ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩-এর ১৬৩ ধারা জারি করেছে। এই ধারার আওতায় পূর্বানুমতি ছাড়া পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত, মিছিল, বিক্ষোভ, পিকেটিং ও ধর্না নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে অনিয়ম এবং অনেক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। বিক্ষোভে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ), স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই) ও ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়ার (এনএসইউআই) সদস্যরাও রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। এ কারণে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থেকে প্রায় ৭০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।