NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে নাটকীয়ভাবে বেড়েছে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৯ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে নাটকীয়ভাবে বেড়েছে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ

যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয়দের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ও ভূমিকার কারণে অনলাইনে ভারতীয়, বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে ঘৃণাসূচক বক্তব্য বা বিদ্বেষমূলক আচরণ নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে—একটি নতুন প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, এর পেছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কঠোর পদক্ষেপ ও বক্তব্য, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান দৃশ্যমানতা।

 

সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট (সিএসওএইচ)-এর বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

‘দ্য রাইজিং টাইড অব অ্যান্টি-সাউথ এশিয়ান হেট ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস’—শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে প্রতিমাসে ঘৃণামূলক পোস্টের সংখ্যা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২৪০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে যেখানে এমন পোস্টের সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৯০৪টি, ২০২৬ সালের জুনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ হাজার ৮৪৩টিতে।

গবেষকরা শুধু ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়েই এক্সে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে ৫ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ঘৃণামূলক পোস্ট শনাক্ত করেছেন।

ওই সময়ের শেষের দিকে থাকা ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসেই এমন পোস্টের সংখ্যা ছিল পুরো সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।

 

গবেষকেরা জাতিসংঘের নির্ধারিত ঘৃণাবাক্যের সংজ্ঞা ব্যবহার করেছেন। তারা অনলাইনে বারবার ব্যবহৃত দক্ষিণ এশিয়াবিরোধী গালিগালাজ ও বিভিন্ন বর্ণনাধর্মী প্রচারণা অনুসরণ করেছেন। এরপর প্রতিটি পোস্ট পর্যালোচনা করে এমন সমালোচনামূলক পোস্ট বাদ দিয়েছেন, যেগুলো জাতিসংঘের নির্ধারিত ঘৃণাবাক্যের মানদণ্ড পূরণ করে না।

 

 

এছাড়াও এক্সে থাকা ঘৃণামূলক পোস্টের প্রায় অর্ধেকেই দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ‘আক্রমণ’ বা ‘দখল’ করছে, চাকরি কেড়ে নিচ্ছে অথবা দেশের জনসংখ্যাগত কাঠামোর জন্য হুমকি তৈরি করছে বলে জানায় গবেষকেরা।

দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে অবমাননাকর গালি ‘পাজিত’ এবং এর বিভিন্ন রূপ এক্সে থাকা ঘৃণামূলক পোস্টের ৩০ শতাংশে এবং বিকল্প বা প্রান্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে থাকা এমন পোস্টের ৪৫ শতাংশে দেখা গেছে। দক্ষিণ এশীয়দের নোংরা বা অপরিচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরা পোস্ট এক্সে ১৭১ শতাংশ বেড়েছে। গবেষকেরা বলেছেন, সব ধরনের বর্ণনার মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা বয়ান।

ঘৃণামূলক বক্তব্যে প্রায়ই দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন জাতিগত ও ধর্মীয় গোষ্ঠীকে একাকার করে ফেলা হয়েছে।