NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

নিউইয়র্কে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ব্যবহারে নতুন বিধিনিষেধ, স্কুলের কম্পিউটার-আইপ্যাডেও ইউটিউব বন্ধ


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৯ এএম

নিউইয়র্কে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ব্যবহারে নতুন বিধিনিষেধ, স্কুলের কম্পিউটার-আইপ্যাডেও ইউটিউব বন্ধ

নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ব্যবহারে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এবার স্কুল থেকে দেওয়া কম্পিউটার ও আইপ্যাডেও ইউটিউব বন্ধ করে দিয়েছে নিউইয়র্ক সিটি শিক্ষা বিভাগ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা ৫টা থেকে স্কুলের সরবরাহ করা ডিভাইস ব্যবহার করে স্কুলে কিংবা বাড়িতে ইউটিউবে প্রবেশ করতে পারবে না শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো। এর আগে স্কুলে ব্যক্তিগত সেলফোন, আইপ্যাড ও ল্যাপটপ ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। এবার সেই নিয়ন্ত্রণের আওতায় এল শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বিভাগ থেকে সরবরাহ করা ডিভাইসও।

মঙ্গলবার সিটি হলে অনুষ্ঠিত এক শুনানিতে ইউটিউব বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানান নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলসের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা স্কট স্ট্রিকল্যান্ড। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে স্কুল-সরবরাহকৃত সব শিক্ষার্থী ডিভাইসে ইউটিউবের প্রবেশাধিকার বন্ধ করা হয়েছে।

শুধু ইউটিউব নয়, শিক্ষার্থীদের স্ক্রিন ব্যবহারের সময়ও শ্রেণিভেদে সীমিত করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে পর্দাভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের নির্ধারিত সময় থাকবে না। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ৪৫ মিনিট স্ক্রিন ব্যবহার করতে পারবে।

উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অবশ্য নির্দিষ্ট সময়সীমা না রেখে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষাগত প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করা হবে।

তবে সব পরিস্থিতিতে এই সীমা কার্যকর থাকবে না। ডিজিটাল পরীক্ষা এবং দূরশিক্ষণের দিন নির্ধারিত স্ক্রিন-টাইম সীমা প্রযোজ্য হবে না। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী এবং ভাষা অনুবাদের প্রয়োজন রয়েছে—এমন শিক্ষার্থীদের জন্যও প্রয়োজন অনুযায়ী ছাড় রাখা হয়েছে।

এদিকে, নগর পরিষদের কয়েকজন সদস্য প্রযুক্তি ব্যবহারে আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে অনলাইন পরীক্ষার পরিবর্তে সরাসরি পরীক্ষা নেওয়া এবং ছোট শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে দেওয়া ডিভাইস বাড়িতে না পাঠানো।

শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, প্রযুক্তির অপ্রয়োজনীয় ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কমানোই নতুন বিধিনিষেধের প্রধান উদ্দেশ্য। শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করার পরিবর্তে শিক্ষার প্রয়োজন অনুযায়ী এর ব্যবহারকে সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বিস্তারের পর এবার তার ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের স্কুল ও বাড়িতে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ধরনেও পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে।